logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭

সেন্ট মার্টিনে আটকা পড়েছে ১২০০ পর্যটক

কক্সবাজার প্রতিনিধি
|  ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ২২:১৮
সেন্ট মার্টিন আটকা ১২০০ পর্যটক
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে কক্সবাজার জেলার সর্বত্র গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ গুমোট রয়েছে। জেলার আট উপজেলায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় জরুরি প্রস্তুতি সভা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এসময় সংশ্লিষ্ট পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, জেলার আটটি উপজেলায় ৫৩৮টি সাইক্লোন শেল্টার, রেডক্রিসেন্ট সিপিডির ৬ হাজার ৪৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী, ৯৭টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে সমুদ্র উত্তাল থাকায় বন্ধ রয়েছে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন জাহাজ চলাচল। এতে আটকা পড়েছে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়া ১২০০ পর্যটক। আজ শুক্রবার সকালে টেকনাফ জাহাজঘাট থেকে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিন উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি। প্রবাল দ্বীপে আটকে থাকা প্রায় ১২০০ পর্যটক আজ ফিরতে পারছে না। দ্বীপের আবাসিক হোটেলগুলোতে তারা নিরাপদে অবস্থান করছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গন্তব্যে ফিরবে আটকেপড়া পর্যটকরা। হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আটকে গেছে। তবে, স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছে।

সমুদ্রে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিনগামী কোনো জাহাজ আজ শুক্রবার না ছাড়তে নির্দেশ জারি করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রস্তুতি প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে নিয়ে আসা হবে।

অপরদিকে ‘বুলবুল’-এর কারণে সারা দেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এছাড়া মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে সব কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে বিআইডব্লিউটিএ এ ঘোষণা দেয়। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে বলেও নির্দেশনা দেয়া হয়।

এর আগে ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে। এদিকে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

‘বুলবুল’মোকাবিলায় চট্টগ্রামে ৪৭৯টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয় নেওয়া দুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানান, সন্দ্বীপ, বাঁশখালী, আনোয়ারা, সীতাকুণ্ড উপকূলীয় এলাকা থেকে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে।

এদিকে, সংকেত ছয় দেয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনসহ বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে আসার জন্য। এছাড়াও সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে ২৮৪টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

পি

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ২০৬৬৪৯৮ ১৫৩০৮৯ ৩৫১৩
বিশ্ব ২০৫৫৩৩২৮ ১৩৪৬৫৬৪২ ৭৪৬৬৫২
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • জনদুর্ভোগ এর সর্বশেষ
  • জনদুর্ভোগ এর পাঠক প্রিয়