দিক পরিবর্তন করেছে ‘আম্পান’, প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারও

প্রকাশ | ১৭ মে ২০২০, ১৪:৩৭ | আপডেট: ১৯ মে ২০২০, ১৩:৩৩

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
দিক পরিবর্তন করেছে আম্ফান, প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারও

দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি দিক পরিবর্তন করে কিছুটা উত্তরে সরে এসেছে। আরও উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকেও নেয়া হচ্ছে আম্ফান মোকাবিলার প্রস্তুতি।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় যেকোনও সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এটার গতিমুখও পরিবর্তন হচ্ছে। আরও হতে পারে। ‘আম্ফান’ যে গতিতে এগুচ্ছে সেই গতি ধরে রাখলে ১৯ কিংবা ২০ মে’র দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’মোকাবিলায় ও তার সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
রোববার (১৭ মে) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল গণমাধ্যমকে জানান, আমরা সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছি। গতকাল (শনিবার) জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিটিং করেছি। উপকূলীয় জেলাগুলোতে পর্যপ্ত ত্রাণ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় আম্পান রোববার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৪৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। 

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমির মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এজন্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল এবং গভীর সমুদ্রে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
পি