Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

কৃষি মন্ত্রণালয় দেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যান দেয় না। এই পরিসংখ্যানের অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রোববার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ মন্তব্য করে বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের কথা ধরেন। পেঁয়াজের জ্বালায় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান বলছে আমাদের দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ২৫ থেকে ২৬ লাখ মেট্রিক টন। বছরে আমাদের প্রয়োজন ২৪ থেকে ২৫ লাখ টন মেট্রিক টন। যদি এই হয়, তাহলে আমদানি কেন? এমন প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক।

সেক্ষেত্রে পচনশীল পণ্য বলে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ২০ শতাংশ নষ্ট হয়, তাও উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সঠিক তথ্য না পাওয়ার আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গত বছর কৃষি মন্ত্রণালয় হিসাব দিল- আমাদের দেশে ১ কোটি ৫ লাখ টনের মতো আলু উৎপাদন হবে। আর আমরা ৭০-৭৫ লাখ টন আলু খাই। কিন্তু গত বছরের বাজারের চিত্র কিন্তু সেটা বলে না।

তিনি বলেন, গত বছর আলুর দাম ৪০ টাকায় ঠেকলো। কোল্ডস্টোরেজ থেকে মজুত করা আলু বের হতে হতে আলু ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা হয়ে গেল। অথচ আলু এক্সপোর্টও হলো না। তার মানে হিসাবে একটা গণ্ডগোল রয়েছে। আর সেটি হচ্ছে- হয় আলুর উৎপাদন কম হয়েছে, না হয় আলুর চাহিদা আরও বেশি। আসলে পণ্যের মজুত ও চাহিদা সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই আমাদের পেঁয়াজ কমতে থাকে। তখন ভারত থেকে আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের ওপর আমরা ৯০ শতাংশ নির্ভরশীল। ভারত বন্ধ করে দিলে অথবা দাম বাড়ালে এর প্রভাব আমাদের বাজারে পড়ে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি কৃষিবিদদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা পেঁয়াজের এমন বীজ আনেন যাতে সেপ্টেম্বর অক্টোবরে আমরা পেঁয়াজ পাই। উৎপাদন বাড়ানো গেলে এবং নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমলে আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে পেঁয়াজের বাজারে কোনও সমস্যা হবে না।

এফএ/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS