logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ৭ বৈশাখ ১৪২৮

‘জাটকা আহরণে ধনী অসাধু ব্যক্তিরা জড়িত’

‘জাটকা আহরণে ধনী অসাধু ব্যক্তিরা জড়িত’

অবৈধ মৎস্য আহরণে যেসব ট্রলার ব্যবহার করা হয় সেগুলো কিছু ধনী অসাধু ব্যক্তির। তাদেরকে সমাজ ও দেশের শত্রু আখ্যায়িত করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, পুষ্টিকর ইলিশ মাছের বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন এসব অসাধু ব্যক্তিরা।

সোমবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২১ এর উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।

রেজাউল করিম বলেন, অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য নির্গমন, অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছে। এগুলো বন্ধে ইলিশের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মনিটরিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদের যারা শত্রু তাদের ব্যাপারে কোনো তদবির শোনা হবে না। এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি নেয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা হবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অভিযানে অত্যাধুনিক জলযান সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। তবে ইলিশ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা না গেলেও বিদ্যমান জনবল ও নৌযান দিয়ে সমস্যা মোকাবিলার আপাতত চেষ্টা করতে হবে। এর স্থায়ী সমাধানে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি।

করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য শাক-সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণ খেতে হবে। এই মূহুর্তে করোনার ভয়াবহ বৈশ্বিক সমস্যা আমাদের দেশের অভ্যন্তরে মোকাবিলা করতে মাছ, মাংস, দুধ ডিমের উৎপাদন ও বিপণন বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে ইলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। ইলিশ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্থানে রয়েছি।

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS