logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১, ৭ মাঘ ১৪২৭

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির

Thanks, Prime Minister, committee, elimination
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির
‘৭১-এর নৃশংসতা ভোলার নয়, এ ক্ষত চিরকাল থাকবে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে বিষয়টি স্বরণ করিয়ে দেন। একাত্তরে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বিষয়টি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

আজ শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত যখন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘৭১-এর নৃশংসতা ভোলার নয়, এ ক্ষত চিরকাল থাকবে।

বিজয়ের মাসে ১৯৭১-এ বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বিষয়টি পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

‘গত ২৯ বছর ধরে আমরা ’৭১-এর গণহত্যাকারীদের বিচার এবং ধর্মের নামে পাকিস্তানপ্রেমী জামায়াত গং-এর গণহত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের আন্দোলন করছি। আমরা পাকিস্তানকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই-  যতক্ষণ পর্যন্ত পাকিস্তান ’৭১-এর গণহত্যার জন্য সরকারিভাবে ক্ষমা না চাইবে,  গণহত্যার জন্য দায়ী সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিচার না করবে কিংবা বিচারের জন্য বাংলাদেশের কাছে সোপর্দ না করবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের প্রাপ্য সম্পদ বুঝিয়ে না দেবে ততক্ষণ পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না।’
‘আমরা ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ’৭১-এর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানি হাইকমান্ড ও তাদের এ দেশীয় সহযোগী সংগঠনগুলোর বিচার দ্রুত আরম্ভ করার জন্য আবারও সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

স্বাক্ষরদাতাদের মধ্যে রয়েছেন বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী, বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, বিচারপতি শামসুল হুদা, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, লেখক সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী, অধ্যাপক অনুপম সেন, কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক, শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী রফিকুননবী, অধ্যাপিকা পান্না কায়সার, অধ্যাপিকা মাহফুজা খানম, ক্যাপ্টেন আলমগীর সাত্তার বীরপ্রতীক, ক্যাপ্টেন সাহাবউদ্দিন আহমেদ বীরউত্তম, ক্যাপ্টেন আকরাম আহমেদ বীরউত্তম, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবদুর রশীদ (অব.), ডা. আমজাদ হোসেন, ড. নূরন নবী, লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শহীদজায়া সালমা হক, সমাজকর্মী আরমা দত্ত এমপি, কলামিস্ট সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ, শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, অধ্যাপক আবুল বারক আলভী, সমাজকর্মী কাজী মুকুল, ড. ফরিদা মজিদ, এডভোকেট খন্দকার আবদুল মান্নান, অধ্যাপক আয়েশ উদ্দিন, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, ডা. শেখ বাহারুল আলম, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা, ডা. ইকবাল কবীর, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল-ই এলাহী, অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান শহীদ, এডভোকেট আবদুস সালাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যাপক আবদুল গফ্ফার, কবি জয়দুল হোসেন, ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ, মুক্তিযোদ্ধা কাজী লুৎফর রহমান, সাবেক ফুটবলার শামসুল আলম মঞ্জু, সমাজকর্মী কামরুননেসা মান্নান, এডভোকেট আজাহার উল্লাহ্ ভূঁইয়া, সঙ্গীতশিল্পী জান্নাত-ই ফেরদৌসী লাকী, অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব, সাংবাদিক শওকত বাঙালি, উপাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, ডা. নুজহাত চৌধুরী শম্পা, লেখক আলী আকবর টাবী, সমাজকর্মী চন্দন শীল, অ্যাডভোকেট কাজী মানছুরুল হক খসরু, এডভোকেট দীপক ঘোষ, ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী, সাংবাদিক মহেন্দ্র নাথ সেন, শহীদসন্তান তৌহিদ রেজা নূর, শহীদসন্তান শমী কায়সার, শহীদসন্তান আসিফ মুনীর তন্ময়, শহীদসন্তান তানভীর হায়দার চৌধুরী শোভন, মানবাধিকারকর্মী তরুণ কান্তি চৌধুরী, লেখক সাংবাদিক সাব্বির খান, মানবাধিকারকর্মী আনসার আহমদ উল্যাহ, মানবাধিকারকর্মী স্বীকৃতি বড়ুয়া, সাংবাদিক দিব্যেন্দু দ্বীপ, অধ্যাপক সুজিত সরকার, সমাজকর্মী হারুণ অর রশীদ, অ্যাডভোকেট মালেক শেখ, সহকারী অধ্যাপক তপন পালিত, সমাজকর্মী পূর্ণিমা রাণী শীল, সমাজকর্মী শিমন বাস্কে, সমাজকর্মী শেখ আলী শাহনেওয়াজ পরাগ, সমাজকর্মী সাইফ উদ্দিন রুবেল প্রমুখ। 

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS