Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮

বাংলাদেশি তরুণীকে পাচার: ‘বস রাফি’র স্বীকারোক্তি

নারী পাচারকারীর মূলহোতা রাফি

বাংলাদেশি তরুণীকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশের পর গ্রেপ্তার আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল রাফি (৩০) ৫ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি নিজেকে ‘বস রাফি’ নামে পরিচয় দিয়ে নারী পাচার করতেন।

বেঙ্গালুরুতে নির্যাতনের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পরলে তদন্তে নামে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই চক্রের কাছ থেকে পালিয়ে আসা এক তরুণী ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মামলা করলে সেই মামলায় নারী পাচারের মূলহোতা রাফিসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি আইনে করা মামলায় রাফিসহহ চারজনকে ২ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের হেফাজতে পাঠায় আদালত। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার (০৮ জুন) রাফিকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক। এরপর ঢাকার মহাগর হাকিম মোহাম্মদ জসীম আসামি আশরাফের জবানবন্দি নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আশরাফ ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার নাদপাড়া গ্রামের আয়েন উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে। গত সপ্তাহে রাফিকে গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছিল, প্রায় ৫০ জনের সংঘবদ্ধ একটি চক্রের ‘হোতা’রাফি। আট বছর বেঙ্গালুরুতে থাকার সময় মানবপাচারের একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত হন তিনি এবং দেশে নিজেই একটি চক্র গড়ে তোলেন। বাংলার পাশাপাশি তামিল ভাষাতেও পারদর্শী রাফি।

র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে বিভিন্ন মার্কেট, সুপারশপ, বিউটি পার্লারসহ বিভিন্ন ধরনের ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মূলত যৌনবৃত্তিতে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে পাচার করা হত তরুণীদের।

আশরাফের সঙ্গে রিমান্ডে থাকা আব্দুর রহমান শেখ আরমানও আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS