logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

যুবলীগ সভাপতিকে হত্যাকারী রোহিঙ্গা পুলিশের গুলিতে নিহত

টেকনাফ প্রতিনিধি
|  ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:৫৪
টেকনাফ, রোহিঙ্গা
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া এলাকায় পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে আরো এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। তিনি যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত বলে দাবি করেছে পুলিশ। সোমবার ভোররাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত ও একটি এলজি, ৫ রাউন্ড তাজা ও ৮ রাউন্ড খালি খোসা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। নিহত মো. হাসান মিয়ানমারের আকিয়াবের মংডুর বাসিন্দা হামিদউল্লার ছেলে। তিনি বর্তমানে জাদিমুড়া ক্যাম্পে আশ্রিত।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, টেকনাফের ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার (নং-৫৯/২০১৯) পলাতক আসামিরা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে, এমন খবর পেয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাশেদ আহামদ রাত দেড়টার দিকে অভিযানে যায়। জাদিমুড়া এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।

সন্ত্রাসীদের ছোরা গুলিতে পুলিশ সদস্য এসআই সাববির, (কং-৯৯৯) বাহার উদ্দীন ও (কং-৯৩২১) লিটন গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ১০ রাউন্ড গুলি করে। উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে হত্যা মামলার আসামি হাসান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। গুলিবিদ্ধ হাসানকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তাকে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে একটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৫টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ৮ (বার) রাউন্ড কার্তুজের খোসা পাওয়া যায়। গোলাগুলির ঘটনায় পৃথক আইনে মামলা রুজু করা হচ্ছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাদিমুরা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফারুককে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় হাসানসহ এ পর্যন্ত তিনজন নিহত হয়েছেন।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়