• ঢাকা সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩ পৌষ ১৪২৬

ভিকারুননিসার তিন শিক্ষককের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব-পুলিশকে চিঠি

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:০১ | আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:১০
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব ও পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে অরিত্রির আত্মহত্যার ঘটনায় ‘অভিযুক্ত’ হওয়ায় এ চিঠি দেয়া হয়েছে

western বুধবার এক চিঠিতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান গোলাম আশরাফ তালুকদার জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির প্রেক্ষিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গভর্নিং বডি। শনিবার থেকে পূর্ব নির্ধারিত রুটিনে আবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আজকের (বুধবার) পরীক্ষা হবে আগামী শুক্রবার। ৬ তারিখের পরীক্ষার সময় পরে জানানো হবে।

এর আগে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সারাংশ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ওই কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিনাত আখতার এবং অরিত্রীর শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার অশোভন আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অরিত্রীর বাবা-মার সঙ্গে অধ্যক্ষ ও শাখা প্রধানের নির্মম, নির্দয় আচরণ অরিত্রীকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে। এ জন্য কমিটি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

গেল সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় অরিত্রী। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে পল্টন থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিনাত আখতার এবং অরিত্রীর শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রীর বাবা।

মামলাটি বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করছে। আত্মহত্যার ঘটনায় কারও কোনও প্ররোচনা ছিল কি-না তা খতিয়ে দেখছে ডিবি পুলিশ।

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়