Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

মদ ‘মাদক নয়’ বলতে আরও সময় চাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

The Home Minister wants more time to say 'no drugs'
ফাইল ছবি

মদ ‘মাদক নয়’ বলতে আরও সময় প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সচিবালয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনেকরি মদ বা অ্যালকোহল যেগুলো আছে এখানে, যারা বিশেষজ্ঞ আছেন তারা বলছেন, অনেক আগে থেকেই এটাকে মাদক বলেই চিহ্নিত করা আছে। কোর্টেরও একটি নির্দেশনা আছে। এটাকে আমরা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব।’

‘এখন পর্যন্ত আমরা যেটা ফলো করছি, সবগুলোকেই মাদক বলে চিহ্নিত করছি। লিকারকে কীভাবে আলাদাভাবে দেখা যায়, সেটা নিয়ে আমরা আবারও বিস্তারিত আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা সব কিছু নিয়েই, যেহেতু প্রস্তাবগুলো এসেছে, আমরা আবার একটু বসে এটা ঠিক করব।’

গত ১৩ ডিসেম্বর মদকে মাদকদ্রব্যের আইনের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম। পরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মদ এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যকে একই সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অনেক মাদকদ্রব্য আছে, যেগুলো আমদানিযোগ্য না, যেগুলো বহন করা অপরাধ। অ্যালকোহল আমদানি-রপ্তানিযোগ্য পণ্য। কিন্তু ইয়াবা, আইসসহ আরও অনেক মাদকদ্রব্য আছে যেগুলো নিষিদ্ধ পণ্য। এগুলো তো আমদানি বা রপ্তানিযোগ্য না। সে জন্য যারা ব্যবসা করেন, তাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়।’

তিনি বলেন, ‘এখন সমস্যা হলো পানযোগ্য অ্যালকোহল এবং নিষিদ্ধ মাদককে একই সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটার জন্য অ্যালকোহল যারা বিক্রি করেন, আমদানি করেন বা রপ্তানি করেন, তাদের জন্য সমস্যা হয়। তার কারণ, এগুলোও তখন মাদকদ্রব্য হিসেবে চিহ্নিত হয়। এর ফলে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং এই আইনকে এক সূত্রে করা বা একই সংজ্ঞায় করা কেন সংবিধানের ৩১ ও ৪০ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে আদালত রুল জারি করেছে।’

এরপর ২৩ ডিসেম্বর সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও মদ নিয়ে আলোচনা হয়। ইয়াবা, এলএসডি, আইস, ফেনসিডিল, হেরোইনের মতো মাদকের হাত থেকে তরুণ ও যুবকদের মনোযোগ সরাতে মদ ও গাঁজায় ছাড়ের পক্ষে মত আসে।

আলোচনায় দাবি করা হয়, অ্যালকোহলের ওপর কিছুটা ছাড় দিলে মাদক সেবন কমতে পারে। একই সঙ্গে গাঁজা সম্পর্কে আরও চিন্তাভাবনা করা উচিত বলে মত উঠে আসে এই আলোচনায়।

কেএফ/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS