Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

লোভ দেখিয়ে ড্যান্স ক্লাবে শতাধিক নারী পাচার

Zia's advance money trap in trafficking women in dance clubs abroad
চক্রের মূল হোতা জিয়া উদ্দিন ও এক ভুক্তভোগী নারী

বিদেশে লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ড্যান্স ক্লাব ও ডিজে পার্টিতে নারী পাচার করে আসছিল জিয়া উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী চক্র। চক্রটি পাচারের শিকার হওয়া নারীদের কাছ থেকে প্রথমে কোনো টাকাই নিতো না। উল্টো ওই নারীদেরকেই টাকা দিতো। আর সেটার যোগান নিতো পাচার হওয়া বা ফাঁদে পড়া পুরুষদের কাছ থেকে। দুবাই পাচারচক্রের মূল হোতা এই জিয়া সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ শামসুদ্দীনকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পায় র‌্যাব।

সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর কাওরান বাজারের মিডিয়া সেন্টারে র‌্যাব ১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এ পাচারচক্রের হাত থেকে ১ জন নারী ও ৩ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয় রাজধানীর উত্তরা থেকে।

তিনি বলেন, পল্টন থেকে গ্রেপ্তারকৃত শামসুদ্দিনের কাছ থেকে ২টি মোবাইল ফোন, ১০টি পাসপোর্ট, ১টি বিএমইটি কার্ড উদ্ধার করা হয়। চক্রটি দুবাই, সিঙ্গাপুর ও ভারতে নারী-পুরুষ পাচার করে আসছে। এখন পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষকে পাচার করেছে চক্রটি।

জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব জানতে পারে, যেসব নারী বিদেশে যেতে ইচ্ছুক তাদের জনপ্রতি অগ্রিম ৩০-৪০ হাজার টাকা দেওয়া হতো। পুরুষদের কাছ থেকে নেওয়া হতো ৩-৪ লাখ টাকা করে। দুবাই ড্যান্স ক্লাবে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হতো ওই নারীদের। চক্রটি কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট ছাড়াই জাল বিএমইটি কার্ড (নিয়োগপত্র কার্ড) তৈরি করে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টাকা নেওয়ার পর কোনো নারী বিদেশ যেতে না চাইলে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। তখন বাধ্য হয়ে অনেকে যেতে রাজি হয়। পরে তাদেরকে সেখানে নিয়ে ড্যান্স ক্লাব ও ডিজে পার্টিতে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়।

কেএফ

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS