Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

আরটিভি নিউজ

  ১৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩১
আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৯

গ্রিন রোডে গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু

Mysterious death of a housemaid on Green Road
ফাইল ছবি

রাজধানীর কলাবাগানের গ্রিন রোডের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে সাদিয়া (১৭) নামের এক গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দিনগত রাত পৌনে ৯ টার দিকে গ্রীন রোড কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে বাড়ী নম্বর ১৬৮/৮ ভবনের চতুর্থ তলায় ব্যবসায়ী মির্জা আহমার বাসা থেকে শায়িত অবস্থায় সাদিয়ার মৃরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বিপ্লব হোসেন বলেন, গত ৩ বছর ধরে সাদিয়া ওই বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। আজ বাসার মধ্যে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এমন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে শায়িত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত মেয়েটি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মো. তোফিক মিয়ার সন্তান।

সাদিয়ার বাবা কেরানীগঞ্জ জিনজিরা এলাকায় থাকেন। মা অনেক আগেই মারা গেছেন। ওই ফ্ল্যাটে মাসিক ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজ করতো সাদিয়া। তার বাবা প্রতিমাসে সেই বাসায় গিয়ে টাকাটা নিয়ে যেত। এই নিয়ে বাবা মেয়ের মধ্যে ঝগড়ার কারণে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

এসআই বিপ্লব আরও জানান, গৃহকর্তা মির্জা আহমারসহ তার পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানিয়েছেন, সাদিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তারা তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ রাত ৮টার পর ঘটনাস্থলে আসে। তারা সাদিয়ার মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করেছেন।

পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। সব বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, গৃহকর্মী সাদিয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর প্রতিবাদে ওই এলাকার অর্ধশতাধিক গৃহকর্মী ওই বাসার সামনে জড়ো হন এবং তারা ‘সাদিয়াকে হত্যা করা হয়েছে, সে আত্মহত্যা করেনি’ বলে প্রতিবাদ করতে থাকেন।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ জানিয়েছে, সাদিয়ার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা যদি অভিযোগ দেন তা আমলে নেয়া হবে।

কেএফ

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS