logo
  • ঢাকা রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু ৩২ জন, আক্রান্ত ২৬১১ জন, সুস্থ হয়েছেন ১০২০ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

চেয়ারম্যান পরিচয় দিতে বলেছিল আমার হাসব্যান্ড: ডা. সাবরিনা

আরটিভি নিউজ
|  ১২ জুলাই ২০২০, ২৩:০৮ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০২০, ২৩:২০
JKG Healthcare, Dr. Sabrina Chowdhury, arrested, interrogated
ডা. সাবরিনা চৌধুরী। ফাইল ছবি।
করোনাভাইরাসের পরীক্ষার টেস্ট না করেই ইচ্ছেমতো রিপোর্ট দেয়ায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট থেকেও তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার আদালতে ডা. সাবরিনার রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

রোববার (১২ জুলাই) ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তারের পর ডিসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক কোনো তথ্য দিতে না পারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডা. সাবরিনা জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে ডিসি হারুন বলেন, আমরা আজ তাকে যখন জিজ্ঞাসাবাদ করলাম, আপনি কি চেয়ারম্যান কিনা? উনি বলছেন, না আমি কখনই চেয়ারম্যান ছিলাম না। দ্বিতীয় কথা, আপনি তিতুমীর কলেজে (জেকেজির সঙ্গে কলেজ শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের) সময় আপনি সেখানে দাঁড়িয়ে তাদের পক্ষে কথা বললেন, জেকেজির মুখপাত্র হিসেবে, চেয়ারম্যান হিসেবে কথা বললেন। তখন তিনি (ডা. সাবরিনা) বললেন, আমার হাজব্যান্ড আমাকে এটা বলতে বলছে।’

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হলো, কিন্তু ওনি কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারে নাই। যার কারণে ওনাকে আমরা গ্রেপ্তার দেখিয়েছি। আমরা মনে করি, এই কোম্পানি মানুষকে যে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যারা নেগেটিভ তাদেরকে পজিটিভ আর যারা পজিটিভ তাদেরকে নেগেটিভ বানিয়েছে, হাজার হাজার মানুষের মাঝে সংক্রমণ ঘটছে। মানুষকে প্রতারণা করছেন টাকার বিনিময়ে। বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশের মানুষেরা গিয়ে (তাদের ভুয়া রিপোর্টের কারণে) যে ফিরে এসেছে। সবকিছু মিলেই আমাদের তদন্তে আসবে।

ডিসি হারুন বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করতে আমরা সময় নিচ্ছিলাম। কারণ, তিনি একজন ডাক্তার, সরকারি কর্মকর্তা। যেহেতু তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা সেহেতু তিনি আরেকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান থাকতে পারেন না, কিংবা ওই প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র হিসেবে বক্তব্য দিতে পারেন না। উনি যে একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জেকেজি গ্রুপের পক্ষে ফেসবুকে প্রচারণা চালিয়েছেন তাও একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তা করতে পারেন না। আগামীকাল যদি তিনি রিমান্ডে আসেন তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষের নমুনা নিয়ে পরে যে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে প্রতারণা করেছেন তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। রিমান্ডে আসলে আমরা সময় পাব, তখন বাকি তথ্যগুলো জানা সহজ হবে।

ডিসি হারুন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আগামীকাল আদালতে তার জন্য রিমান্ড চাইব। রিমান্ডের প্রেক্ষিতে আরও কিছু তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

জিএ / এমকে

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ২৫৫১১৩ ১৪৬৬০৪ ৩৩৬৫
বিশ্ব ১৯৫৬১৩৯৫ ১২৫৫৮০৫০ ৭২৪৩৮১
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বাংলাদেশ এর সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়