logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

মোট করোনা আক্রান্ত ২৬ হাজার ছাড়ালো, সুস্থ পাঁচ হাজারের বেশি

Coronavirus, infected, dead, recovery, Bangladesh
প্রতীকী ছবি।

করোনা নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ কমছে না। দেশে নতুন করে ১ হাজার ৬১৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে শনাক্তকৃত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৬ হাজার ৭৩৮ জনে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৬ জন। এ নিয়ে করোনায় মোট ৩৮৬ জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন ২১৪ জন, মোট সুস্থ ৫২০৭ জন।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ১৯ দশমিক ৪৭ এবং মৃতের হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

ডা. নাসিমা  জানান, ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৭ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, সিলেটে ১ জন, রংপুরে ৩ জন। মৃতদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১২ জন, বাসায় মারা গেছেন ৪ জন।

মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ৩ জন নারী।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ০ থেকে ১০ বছর বয়সী ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ১জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ১ জন, ৪১থেকে ৫০ বছর বয়সী ১ জন, ৫১ বছর ৬০ বয়সী ৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী ২ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী ১ জন মারা গেছেন।

গত কয়েক দিনের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হিসেব করলে দেখা যায়,

৯ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হয় ১১২ জন, মারা যান ১ জন।

১০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৯৪ জন, মারা যান ৬ জন।

১১ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৫৮ জনের দেহে, মারা যান ৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১২ এপ্রিল ১৩৯ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, মারা যান ৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ১৮২, মারা যান ৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২০৯ জন, মারা যান ৭ জন। কেউ সুস্থ হননি।

১৫ এপ্রিল এই সংখ্যা ঠেকে ২১৯ জনে, মারা যান ৪জন। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।

১৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩৪১ জন, মারা যান ১০ জন।

১৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২৬৬ জন, মারা যান আরও ১৫ জন।

১৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৬ জন, আর ৯ জন মারা যান। সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।

১৯ এপ্রিল ৭ জন মারা  যান, আক্রান্ত হয় ৩১২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ জন।

২০ এপ্রিল ১০ জন মারা যান, আক্রান্ত হন ৪৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ জন।

২১ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৩৪ জন, মারা যান ৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ জন।

২২ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৩৯০ জনের দেহে। মারা যান ১০ জন, সুস্থ হন ৫ জন।

২৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪১৪ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৬ জন।

২৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫০৩ জন, মারা যান ৪ জন, সুস্থ হন ৪ জন।

২৫ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৯ জন, মারা যান ৯ জন, সুস্থ হননি কেউই।

২৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।

২৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৯৭ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ৯ জন।

২৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৪৯ জন, মৃত্যু হয় ৩ জনের, সুস্থ হন ৮ জন।

২৯ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৬৪১ জন, মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ১১ জন।

৩০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৬৪ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।

১ মে আক্রান্ত হন ৫৭১ জন, মারা যান ২ জন, সুস্থ হন ১৪ জন।

২ মে আক্রান্ত হন ৫৫২ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ৩ জন।

৩ মে আক্রান্ত হন ৬৬৫ জন, মারা যান ২ জন, নতুন গাইডলাইনে সুস্থতা দেখায় ১০৬৩ জন।

৪ মে আক্রান্ত হন ৬৮৮ জন মে, মারা যান ৫ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১,২০৯ জন।

৫ মে আক্রান্ত হন ৭৮৬ জন, মারা যান ১ জন, নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১ হাজার ৪০৩ জন।

৬ মে আক্রান্ত হন ৭৯০ জন, ৩ জন মারা যান, সুস্থ হন ৩৭৭ জন। নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৭৮০ জন।

৭ মে আক্রান্ত হন ৭০৬ জন, সুস্থ হন ১৩০ জন, নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৯১০ জন।

৮ মে আক্রান্ত হন ৭০৯ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৯১ জন, মোট সুস্থ হন ২ হাজার ১০১ জন।

৯ মে আক্রান্ত হন ৬৩৬ জন। মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ৩১৩ জন, মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন।

১০ মে আক্রান্ত হন ৮৮৭ জন, ১৪ জনের প্রাণহানি হয়, সুস্থ হন ২৩৬, মোট সুস্থ ২৬৫০ জন।

১১ মে আক্রান্ত হন ১০৩৪, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৫২ জন। মোট সুস্থ হন ২ হাজার ৯০২ জন।

১২ মে আক্রান্ত হন ৯৬৯, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৪৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন।

১৩ মে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬২ জন, মারা গেছেন ১৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪ জন। মোট সুস্থ ৩ হাজার ৩৬১ জন।

১৪ মে আক্রান্ত হন ১০৪১ জন, মারা যান ১৪ জন, মোট মৃতের সংখ্যা ২৮৩ জন, সুস্থ হন ২৪২ জন।

১৫ মে আক্রান্ত হন ১২০২ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ২৭৮ জন, মোট সুস্থ ৩৮৮২ জন।

১৬ মে আক্রান্ত হন ৯৩০ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ৩৩৫ জন, মোট সুস্থ ৪ হাজার ১১৭ জন।

১৭ মে আক্রান্ত হন ১২৭৩ জন, মারা যান ১৪ জন। সুস্থ হন ২৫৬ জন, মোট সুস্থ ৪৭২৩ জন।

১৮ মে আক্রান্ত হন ১ হাজার ৬০২ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ২১২ জন, মোট সুস্থ হন ৪ হাজার ৫৮৫ জন।

১৯ মে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৫১ জন, মারা গেছেন ২১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪০৮ জন, মোট সুস্থ ৪৯৯৩ জন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

জিএ

RTVPLUS