logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সড়ক পারাপারে সচেতনতায় ডিএনসিসি মেয়রের প্রচারাভিযান

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৪৬
সড়ক পারাপার ডিএনসিসি মেয়র
মোহাম্মদপুরে গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে প্রচারাভিযানে ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত
পথচারীদের সড়ক পারাপারে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মোহাম্মদপুরের আসাদ এভিনিউতে গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে প্রচারাভিযান চালান। চলচ্চিত্র অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন এ প্রচারাভিযানে যোগ দেন।

প্রচারাভিযানকালে ট্র্যাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে তারা পথচারী ও গাড়িচালকদের প্রচারপত্র বিতরণ করেন এবং ট্র্যাফিক সিগনাল মেনে চলার বিষয়ে গাড়ি চালকদের পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন। গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে ডিএনসিসি কর্তৃক স্থাপিত পুশ-বাটন চেপে সড়ক পার হওয়ার জন্য মেয়র পথচারী ও গাড়িচালকদের কাউন্সেলিং করেন।

এসময় সিগন্যাল পয়েন্টে দাঁড়িয়ে পথচারীদের সচেতন করতে চার ধরনের লিফলেট বিতরণ করেন ডিএনসিসি মেয়র। এর মধ্যে চালকের জন্য বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা দুই ধরনের, পথচারীদের জন্য এক ধরনের এবং ট্র্যাফিক আইন ও দণ্ড সম্পর্কে অবগত করতে আরেক ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়।

প্রচারাভিযানকালে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় কেউ আইন ভঙ্গ করে না। কারণ সেখানে আইন ভঙ্গ করলে বড় ধরনের জরিমানা ও শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু একই চালক ক্যান্টনমেন্টের বাইরে এলে আইন অমান্য করে‌। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এক ধরনের আচরণ এবং বাইরে আরেক ধরনের আচরণ হতে পারে না। সারা বিশ্বেই কঠোরভাবে আইন মানা হয়। এর মূল কারণ আইন অমান্য করলে কঠিন শাস্তি এবং বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়।’

তিনি আরো বলেন, মানুষ যেন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং আইন মেনে চলে সেজন্যই শাস্তি ও জরিমানা বাড়িয়ে নতুন আইন করা হয়েছে। ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গ করার পরে অনেকে ক্ষমতা প্রয়োগ করার চেষ্টা করেন। আইন ভঙ্গকারীরা নিজের বা পরিচিত ক্ষমতাবানদের পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হলে আমাদের এ বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে হবে। একসময় আমাদের দেশে সিনেমার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। এখন এর উন্নতি হচ্ছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে কোর্স চালু আছে। আমাদের দেশে এখন ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা চালু করতে হবে। রাস্তায় শুধু ট্র্যাফিক থাকলে হবে না। ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ট্র্যাফিক ইঞ্জিনিয়ার থাকতে হবে। তাহলে সুস্থ ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা হবে।

এসময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রতন, ডিএনসিসির ট্র্যাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের কর্মকর্তাবৃন্দ ও পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বাংলাদেশ এর সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়