logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

যুবলীগ নেতা খালেদের আরও সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৫৬
যুবলীগ নেতা খালেদের আরও সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর
ফাইল ছবি
ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আরও সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গুলশান থানায় করা অর্থ পাচার মামলায় খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে ঢাকার আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

অন্যদিকে মতিঝিল থানায় করা মাদক মামলায় খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন আদালত। মামলা দুটি তদন্ত করছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আদালতকে দেয়া র‍্যাবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ভয়ংকর সন্ত্রাসী। তিনি ঢাকার মতিঝিলের ইয়ংমেনস ক্লাব, আরামবাগ ক্লাবসহ ফকিরাপুলের অনেক ক্লাবে ক্যাসিনোর আসর বসিয়ে রমরমা মাদক ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। এসব অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে খালেদ কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন। এসব ক্লাবে দিনরাত জুয়া খেলা হতো, যার নিয়ন্ত্রণ ছিল মূলত খালেদের হাতেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয় খালেদ খিলগাঁও-শাহজাহানপুর চলাচলকারী গণপরিবহন থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। খালেদ কোরবানির ঈদের সময় শাহজাহানপুর কলোনি মাঠ, মেরাদিয়া, কমলাপুর, সবুজবাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখান থেকে কোটি কোটি টাকার চাঁদা আদায় করতেন। এ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান; বিশেষ করে রাজউক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, রেল ভবন, ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবন, ফকিরাপুলসহ বেশির ভাগ এলাকার টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। মাদক ব্যবসা, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করার জন্য গড়ে তোলেন বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। এই সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে রয়েছে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়