logo
  • ঢাকা রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

বুড়িগঙ্গার দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণে জটিলতা কাটছে না (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:০২ | আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৩৮
বুড়িগঙ্গার দুই পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একের পর এক জটিলতা দেখা দিচ্ছে।

উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন এলাকায় গড়ে ওঠা শতাধিক ধর্মীয় স্থাপনা নিয়ে জটিলতা কাটেনি। বেশ কিছু স্থাপনা নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। এসব বাধা কাটিয়ে কবে ওয়াকওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

নানা মহলের বাধা উপেক্ষা করে ছয়মাসে পাঁচ হাজারেরও বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাজধানীর পাশে বুড়িগঙ্গার দুইতীর দখল মুক্ত করে বিআইডব্লিউটিএ। তারপরও নদী তীরে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। নদীর জায়গা দখল করে গড়ে উঠা শতাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঝাউচরের এই মসজিদটি গড়ে তোলা হয়েছে নদীর জায়গা দখল করেই। আশপাশের সব স্থাপনা ভাঙ্গা হলেও, উচ্ছেদ দলের এক্সকেভেডর থেমে যায় এর সীমানা প্রাচীরে এসে।

ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর তীরে এমন স্থাপনা রয়েছে শতাধিক। গত আট মাসেও এসব ধর্মীয় স্থাপনাগুলো অপসারণ বা স্থানান্তর নিয়ে জটিলতা কাটেনি। ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় বলে প্রশাসনও সব ক্ষেত্রে কঠোর হতে পারেনি। তবে বিআইডব্লিউটিএ'র এই কর্মকর্তার মতে, নদীর জমি দখলে রাখতে অনেকেই কৌশল হিসেবে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। আবার কেওবা বাসা-বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন মাদ্রাসা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে।  

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আরও কিছু স্থাপনা নিয়ে মামলা রয়েছে। হাইকোর্টে রিট থাকায় এসব স্থাপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বিআইডব্লিউটিএ।

ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের ব্যাপারে নদী রক্ষা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের কয়েকটি সভায় আলোচনা হলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। তবে শিগগিরই বিষয়টি সমাধানের আশা করছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প স্থানে সরিয়ে নিতে কমিটির নেতাদের অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। এজন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়