logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

গলায় ফাঁস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

জাককানইবি প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ৩০ আগস্ট ২০১৯, ০১:৩৭ | আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৯, ০৩:৪১
গলায় ফাঁস  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আত্মহত্যা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জারমিন আক্তার জুঁই গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে চড়পাড়ার শেখ মঞ্জিল ছাত্রী মেসের ২য় তলায় জানালার গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান।

মেস মালিকের মেয়ে সোমা(১৭) জানায়, বিকেল ৫টায় মেস মালিকের ফোনে জুঁই এর স্বামী পরিচয়ে ফোন আসে এবং জানতে চায় জুঁই ঠিক আছে কিনা। খবর পেয়ে জুঁইয়ের রুমের দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে কয়েকজনের চেষ্টায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, জানালার গ্রিলে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁশ নিয়ে ঝুলে আছে সে।

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এবং লাশ নামিয়ে পরিচয়-তথ্যাদি সনাক্ত করে। এসময় একটি চিরকুটসহ দুটি মোবাইল ও একটি ব্যাগ খুঁজে পায় পুলিশ। চিরকুটে তার স্বাক্ষরসহ লেখা ছিল, আমার মৃত্যুর জন্যে কেউ দায়ী নয়।

জুঁই জামালপুর জেলার সদর উপজেলার জুলহাস হোসেন (৪৫) এর মেয়ে ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও  বিভিন্ন সূত্র জানায়,  জুঁই জামালপুর জেলার শিমুল নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে করে। যা জুঁইয়ের মা সেলিনা বেগম জানতেন। আজ  দুপুরেও জুঁইয়ের সঙ্গে শিমুলের কথা হয় ও আত্মহত্যার কথা বলে। এজন্য শিমুল মেস মালিককে ফোন দিয়ে খবর নেয় । তবে অভিযোগ রয়েছে শিমুল এর আগেও অন্য একজনকে বিয়ে করেছে। সে বর্তমানে ত্রিশাল থানায় রয়েছেন বলেও জানায় এক পুলিশ কর্মকর্তা।

একাধিক বিয়ে করেছেন কিনা এমন প্রশ্নে উত্তর না দিয়ে ফোন কেটে দেয় মৃত জুঁইয়ের স্বামী শিমুল ।

প্রাথমিক তদন্তে অপমৃত্যু হিসেবে দেখছে পুলিশ। অপমৃত্যু হিসেবেই মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলছে। মৃতের লাশ প্রাথমিক তদন্তে শেষে  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, আত্মহত্যাও একটি হত্যাকাণ্ড। পুলিশ তদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা রাখি। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোকাহত ও পরিবারের প্রতি আমাদের শোক ও সমবেদনা ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ত্রিশাল থানায় গিয়ে মৃত জারমিন আক্তার জুঁই কে দেখে আসেন ও পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানায়। এসময় শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

জিএ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়