logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬

ঈদকে সামনে রেখে চলছে লক্কর-ঝক্কর বাস মেরামত (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১৫:২৬ | আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১৬:০০
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ফের গ্যারেজে গ্যারেজে চলছে লক্কর-ঝক্কর বাস মেরামতের কাজ। ঈদে অতিরিক্ত যাত্রীর দোহাই দিয়ে পরিবহন মালিকরা, ফিটনেসহীন বাসগুলোকে রাস্তায় নামানোর পাঁয়তারা করছেন। ফিটনেস না থাকায় এসব গাড়ির কারণে সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে হতে পারে প্রাণহানি। ফলে, ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দ রূপ নিতে পারে বিষাদে।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে দুই ঈদে। ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহায় দুর্ঘটনার হার আরো বেশি।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রতি বছর ঈদে বাড়ি ফেরার খুশির সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের শোকও মিলেমিশে আসে। ঈদে যাত্রী বেশি হবে, এমন অজুহাত দিয়ে সড়ক-মহাসড়কগুলোতে ঘোষণা দিয়েই নামানো হয় ফিটনেসহীন অনেক বাস। যেগুলোর চালক অদক্ষ ও মওসুমভিত্তিক। ফলে যন্ত্রদানব পরিণত হয় যমদূতে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের ‘এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনিস্টিটিউট’র তথ্যমতে, ২০১৬ সালে ১৩৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৯৩১ জনের। এর মধ্যে কেবল ঈদুল আজহার ছুটিতে ১৪৪টি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৩৭ জন। ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনা দ্বিগুন বেড়ে হয় দুই হাজার ৯১৭টি, যাতে প্রাণ গেছে তিন হাজার ৬৭২ জনের। একই বছর ঈদুল আজহার ছুটিতে ঘটে ১৫৪টি দুর্ঘটনা। যাতে ২০০ জন মারা যান। আর ২০১৮ সালে দুই হাজার পাঁচটি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে, দুই হাজার ৩৪২ জনের। একই বছরের ঈদুল আজহার ছুটিতে ঘটেছে ১৯৫টি দুর্ঘটনা, যাতে প্রাণ যায় ২৪৯ জনের।

----------------------------------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: ঈদে বাড়ি ফেরা হলো না রাব্বির
----------------------------------------------------------------------------------------

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে বিশেষজ্ঞরা বাস মালিকদের লোভ সংবরণ করতে বললেন। সঙ্গে বাড়াতে হবে হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতা।

সড়ককে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে না বলে জানান এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়