logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

বাজারের দুধ সম্পর্কে ঢাবি’র প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ৩০ জুন ২০১৯, ২২:০২ | আপডেট : ৩০ জুন ২০১৯, ২২:৩৭
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ফাইল ছবি
বাজারে পাস্তুরিত দুধের সাতটি কোম্পানির বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের দেয়া প্রতিবেদনটি চেয়েছে হাইকোর্ট।

আজ রোববার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত আগামী ৭ জুলাই এ ব্যাপারে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

বাজারে যেসব পাস্তুরিত দুধ বিক্রি করা হয় তার মধ্যে  সাতটি ব্রান্ডের পাস্তুরিত দুধে ডিটারজেন্ট, অ্যান্টিবায়োটিক, ফরমালিনসহ মানবদেহের ক্ষতিকারক বিভিন্ন উপাদান পাওয়া গেছে বলে এক গবেষণা রিপোর্ট দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার।

তবে এসব কোম্পানিসহ মোট ১৪টি ব্রান্ডের দুধে কোনো ক্ষতিকারক উপাদান নেই মর্মে মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআই একটি রিপোর্ট দেয় হাইকোর্টে।

পাস্তুরিত দুধ নিয়ে রিটকারী পক্ষের আইনজীবী তানভরি আহমেদ বলেন,  বিএসটিআই এর প্রতিবেদন দাখিলের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের করা এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনটি হাইকোর্ট চেয়েছেন। বিএসটিআই এর আইনজীবী ব্যারিস্টার সর্দার এম আর হাসানকে ওই প্রতিবেদন সংগ্রহ করে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের কয়েকজন শিক্ষক সম্প্রতি বাজারে বেশি বিক্রি হওয়া কিছু খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলোর গুণগত মান পরীক্ষা করেন।

গত ২৫ জুন এক সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষার ফল তুলে ধরেন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাস্তুরিত দুধগুলোর মধ্য থেকে প্রচুর বিক্রি হয় এমন বিভিন্ন নামের সাতটি নমুনা এবং অপাস্তুরিত অর্থাৎ খোলা দুধের তিনটি নমুনা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়। এই ১০টি নমুনা বিএসটিআই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। পাস্তুরিত দুধের সাতটি নমুনার কোনোটিতেই কাঙ্ক্ষিত মাত্রার ‘সলিড নট ফ্যাট’ পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী পাস্তুরিত দুধের সাতটি নমুনার সবই মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং ছয়টিতে এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সবই ফরমালিন এবং তিনটি নমুনায় ডিটারজেন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফ্রুট ড্রিংকসের ১১টি নমুনার সবই নিষিদ্ধ ক্ষতিকর সাইক্লামেট পাওয়া গেছে।

এদিকে গত ২৫ জুনই বিএসটিআই’র আইনজীবী সর্দার এম আর হাসান বাজারের ১৪টি দুধের নমুনা পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের জন্য এফিডেভিট করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে থাকা ১৪ ব্র্যান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে আশঙ্কাজনক কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। ব্র্যান্ডগুলো হলো-পুরা, আয়রান, আড়ং ডেইরি, ফার্ম ফ্রেশ মিল্ক, মো, মিল্কভিটা, আফতাব, আলট্রা, তানিয়া (২০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম), ইগলু, প্রাণ মিল্ক, ডেইরি ফ্রেশ, মিল্ক ফ্রেশ ও কাউহেড পিওর মিল্ক।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়