জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করায় বাড়ছে মাতৃত্বের হার (ভিডিও)

প্রকাশ | ২২ জুন ২০১৯, ২২:৩৯ | আপডেট: ২২ জুন ২০১৯, ২৩:৪৫

খান আলামিন, আরটিভি অনলাইন

পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি আর বাল্য বিয়েকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। দুটোর মধ্যে সমন্বয় করে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে অধিক সুফল পাওয়া যাবে। এমন মত দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে কিশোরী মৃত্যু ও মাতৃত্ব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সরকার এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

বাল্য বিয়ের প্রবণতা বেশি। কম বয়সে বিয়ে আর তারপর আবার পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার না করার ফলে কিশোরী মাতৃত্বের হারও আশঙ্কাজনক। আর মা হতে গিয়ে মৃত্যুর মুখেও ঢলে পড়ছে অনেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত নারীদের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে ৫০ শতাংশ। ফলে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাতৃত্বের হার। মাতৃমৃত্যুর হারও শঙ্কার উদ্রেক করে। তাদেরকে বিবেচনায় নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি সাজানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিবার পরিকল্পনা ও বাল্য বিয়ে নিরোধ কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলেও মনে করেন আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দাবি, বাল্য বিয়ে ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ন্ত্রণে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে।

২০১১ এর জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে ২০২১ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেয় সরকার। পরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০১৬ থেকে ২০ এর সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়ও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।

পি