logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ১৯৫০ মিটার

আরটিভি অনলাইন
|  ২৫ মে ২০১৯, ১০:২৯ | আপডেট : ২৫ মে ২০১৯, ১৪:৪৭
ফাইল ছবি
দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর ১৯৫০ মিটার। পদ্মা সেতুর ক্রয়োদশ স্প্যান ‘৩বি’ সেতুর ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয়েছে। 

bestelectronics
শনিবার (২৫ মে) সকাল ১০টার দিকে স্প্যানটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সফলভাবে বসেছে। 

জানা যায়, তৃতীয় মডিউলের দুই নম্বর স্প্যান এটি। সকাল থেকেই শুরু হয় স্প্যান বসানোর কার্যক্রম।

এর আগে শুক্রবার (২৪ মে) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে বহন করে নিয়ে আসে তিন হাজার ৬শ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে এই দিন স্প্যানটি বসানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ায় বসানো যায়নি। 

এছাড়া এর কয়েকদিন আগে নৌরুটে নাব্যতা সংকট, লিফটিং হ্যাঙ্গার স্বল্পতার জন্য নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

পদ্মাসেতুর উপ-সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর বলেন, দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সকাল  ১০টার দিকে ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের উপর ‘৩বি’ স্প্যানটি বসানো সম্ভব হয়। ক্রয়োদশ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে সেতুর ১ হাজার ৯৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।

জাজিরা প্রান্তে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয় প্রথম স্প্যান। ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি বসে দ্বিতীয় স্প্যান। ১১ মার্চ এ প্রান্তে ধূসর রঙের তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। দু’মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। পঞ্চম স্প্যানটি বসে ২৯ জুন। তারপর ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি বসে ষষ্ঠ স্প্যানটি। ২০ ফেব্রুয়ারি বসে সপ্তম স্প্যানটি। এর একমাস পরে ২২ মার্চ বসে অষ্টম স্প্যানটি। ১০ এপ্রিল বসে দশম স্প্যানটি। ২৩ এপ্রিল বসে একাদশ স্প্যান। এর ১২ দিনের মাথায় দ্বাদশ স্প্যানটি অস্থায়ীভাবে বসে চলতি মাসের ৫ মে। আর মাওয়া প্রান্তে একটিমাত্র অস্থায়ীভাবে স্প্যান বসানো হয় ২০১৮ সালের ১২ অক্টোবর।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেতু নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

এসএস

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়