তাহলে ঢাকার বাইরে কেন মাংসের দাম বাড়লো?

প্রকাশ | ১২ মে ২০১৯, ১৪:১৭ | আপডেট: ১২ মে ২০১৯, ১৭:০৯

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

রাজধানীর গাবতলীর হাটে কোনও ধরনের চাঁদাবাজি হয় না। সিটি করপোরেশন নির্ধারিত মূল্যেই সেখানে হাসিল নেয়া হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এমন দাবি করেছেন গাবতলী হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন তারা এ কথা জানান। 

গাবতলী পশুরহাট ইজারাদার ও পশু ব্যবসায়ীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সানোয়ার হোসেন ও আবুল হাসেম।

সংবাদ সম্মেলনে সানোয়ার হোসেন বলেন, গাবতলী পশুর হাটের চাঁদাবাজির কারণে মাংসের দাম বাড়েনি। এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। এর কারণে যদি দাম বেড়েই থাকে তাহলে ঢাকার বাইরে কেন মাংসের দাম বেড়েছে? তাছাড়া গাবতলীতে চাঁদাবাজি হলে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগও রয়েছে।

সত্য ঘটনা বের করে আনতে মাংস বিক্রেতাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিয়ে সরেজমিন তদন্তের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির সময় সিটি করপোরেশন নির্ধারিত হাসিল ছাগলের জন্য ৩৫ টাকা, গরুর জন্য ১০০ টাকা ও মহিষের জন্য ১৫০ টাকা নেয়া হয়।

তিনি বলেন, গাবতলী হাটে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০০ থেকে ৮০০টি পশু বিক্রি হয়। সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ফি ছাড়া বাড়তি টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া ঢাকার আশপাশে বেশ কিছু হাট হওয়ায় এই হাটে বিক্রি আগের চেয়ে কমে গেছে। এই ক্ষতিটাও আমাদের উপর পড়ছে।

এসজে/এস