logo
  • ঢাকা সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

শরবত কাণ্ডের পর বেড়েছে জুরাইনে পানির সংকট: মিজানুর

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৭ মে ২০১৯, ১৭:২১ | আপডেট : ০৭ মে ২০১৯, ১৭:৩৩
ফাইল ছবি
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) শরবত খাওয়ানোর চেষ্টার পর থেকে জুরাইন এলাকায় পানির সংকট বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওয়াসার নিরাপদ পানি আন্দোলনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন পানির সংকট অনেক বেশি। এই সংকট দ্রুত সমাধান করতে হবে। পানি সংকটের কারণে যদি এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি ও অনাকাঙ্ক্ষিত কোনও ঘটনা ঘটে, এর দায় সরকারকে নিতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ওয়াসার নিরাপদ পানি আন্দোলন’ আয়োজিত এক গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি ওয়াসার সুপেয় পানির জন্য পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেন। এসব দাবির সঙ্গে উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও পেশাজীবীরা একমত পোষণ করেন। এছাড়া গণশুনানিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আগতরা নিজ নিজ বাসাবাড়িতে ওয়াসার সরবরাহ করা পানির নমুনা নিয়ে আসেন।

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এখন বিভিন্ন ধরনের ডাটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এসব রিপোর্টে দেশের ৯৮ শতাংশ লোক সুপেয় পানি পান করে বলে বলা হয়েছে। এই ৯৮ শতাংশের মধ্যে আমরা নেই। আমরা দুই শতাংশের মধ্যে পড়ি। আমাদের ওয়াসার পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টারিং করে পান করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে পানি। ঢাকার চারদিকে নদী দ্বারা বেষ্টিত থাকলেও আমরা বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছি না। পৃথিবীর কোথাও এই নজির নেই যে নিজ দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ কেউ এভাবে নষ্ট করে। এগুলো কে দূষিত করে?

তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের চাইতেও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ বেশি ওয়াসার। বুড়িগঙ্গার পানি শোধন করতে দেড় হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বুড়িগঙ্গার পানি আরও দূষিত হয়েছে। এখন এডিবি (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) পরামর্শে মেঘনা থেকে পানি শোধন করে সরবরাহের একটি প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা।

এসজে/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়