দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল

প্রকাশ | ০১ মে ২০১৯, ২১:৪৪

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
ফাইল ছবি

ভারতের উপকূল থেকে ঘূর্ণিঝড় ফণী ঘনীভূত হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে। আগামী ৪ মে এটি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আজ বুধবার থেকে অব্যাহতভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে নিজ নিজ স্টেশনে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন-১) উপসচিব লুৎফুন নাহার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই নির্দেশ দেয়া হয়।

এ ছাড়া ঝড়ের কারণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সব শাখাও বুধবার থেকে যথারীতি খোলা থাকবে বলে নোটিশে জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমও ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ফণীর জন্য কন্ট্রোলরুমে অতিরিক্ত লোক বসানো হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, ভারতের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আঘাত হানার পর কিছুটা দুর্বল হয়ে আগামী ৪ মে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। তাই এটি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

অপরদিকে বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণী বুধবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৩৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৯০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৯৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পি