logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

‘ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:১৩ | আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:২৬
ঢাকা ওয়াসার সার্বিক সেবার মান নিয়ে সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াসা। 

ওই প্রতিবেদন টিআইবির মনগড়া ও ঢালাও বলে জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। 

তিনি বলেন,ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়।

আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসার এমডি এ তথ্য জানান। 

তিনি টিআইবি’র প্রতিবেদনকে স্পষ্টতই স্ট্যান্ডবাজি আখ্যায়িত করে এই প্রতিবেদনের বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন। 

সম্প্রতি প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সেবাগ্রহীতাদের ৮৬.২ ভাগ ওয়াসার কর্মচারী এবং ১৫.৮ ভাগ দালালকে ঘুষ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে পানির সংযোগ গ্রহণে ২০০ থেকে ৩০০০০ টাকা, পয়ঃনিষ্কাশন লাইনের প্রতিবন্ধকতা অপসারণে ৩০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, গাড়িতে করে জরুরি পানি সরবরাহ করার ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, মিটার ক্রয়/পরিবর্তন করতে ১০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা মিটার রিডিং ও বিল-সংক্রান্ত বিষয়ে ৫০ থেকে ৩০০০ টাকা এবং গভীর নলকূপ স্থাপনে এক লাখ থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার পানির নিম্নমানের কারণে ৯৩ শতাংশ গ্রাহক বিভিন্ন পদ্ধতিতে পানি পানের উপযোগী করে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ গ্রাহকই পানি ফুটিয়ে বা সেদ্ধ করে পান করে। গৃহস্থালি পর্যায়ে পানি ফুটিয়ে পানের উপযোগী করতে প্রতিবছর আনুমানিক ৩৩২ কোটি টাকার গ্যাসের অপচয় হয়।

এছাড়া পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবার নিম্নমান এবং সেবা সম্পর্কে প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি সেবাগ্রহীতা অসন্তুষ্ট। 

টিআইবির গবেষণা প্রত্যাখ্যান করে তাকসিম এ খান বলেন, টিআইবি যে পদ্ধতিতে এ গবেষণা করেছে সেটি একপেশে ও উদ্দেশ্য মূলক। এটি পেশাদারি গবেষণা হয়নি। ৩৩২ কোটি টাকার অপচয়ের বিষয়ে টিআইবির গবেষণা অনুমান নির্ভর ও বাস্তবতা বিবর্জিত। ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানি উৎস থেকে গ্রাহকের জলাধার পর্যন্ত পানি সম্পূর্ণ শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ।

সবাই এ পানি ফুটিয়ে খায় এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে তাকসিম এ খান বলেন, জারের পানি ও বোতলজাত পানি তাহলে কোথায় যায়। গ্যাসের অপচয় সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, টিআইবির গবেষণায় অপচয়ের কথা বলা হয়েছে কিন্তু রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে বছরে ৪০০ কোটি টাকা এবং সিস্টেম লস কমানোর মাধ্যমে আরও ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করছে ওয়াসা। বিষয়টি টিআইবির গবেষণায় উল্লেখ করা হয়নি।

এস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়