• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

টিআইবির প্রতিবেদন ‘মনগড়া’: ওয়াসা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:১২ | আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৫০
ঢাকা ওয়াসার সার্বিক সেবার মান নিয়ে সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াসা। 

whirpool
ওই প্রতিবেদন টিআইবির মনগড়া ও ঢালাও বলে জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। 

আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসার এমডি এ তথ্য জানান। 

তিনি টিআইবি’র প্রতিবেদনকে স্পষ্টতই স্ট্যান্ডবাজি আখ্যায়িত করে এই প্রতিবেদনের বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন। 

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিবেদন প্রকৃত অর্থে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা নয়। বরং এটি টিআইবি’র একটি প্রচার প্রক্রিয়া।

টিআইবি’র রিপোর্টে ওয়াসার উন্নয়নের রোড ম্যাপের কোন প্রশংসা বা উল্লেখ না থাকায় তিনি উষ্মা প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন পুরো প্রতিবেদনকেই একটি একপেষে ও বাস্তব তথ্য বিবর্জিত রিপোর্টিং। 

টিআইবির প্রতিবেদনে উল্লেখিত ওয়াসার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়গুলোকে অস্বীকার করে তিনি বিদেশি গণমাধ্যমে ওয়াসাকে নিয়ে ইতিবাচক প্রচারের বিষয়গুলোও সাংবাদিকদের নজরে আনেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সেবাগ্রহীতাদের ৮৬.২ ভাগ ওয়াসার কর্মচারী এবং ১৫.৮ ভাগ দালালকে ঘুষ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে পানির সংযোগ গ্রহণে ২০০ থেকে ৩০০০০ টাকা, পয়ঃনিষ্কাশন লাইনের প্রতিবন্ধকতা অপসারণে ৩০০ থেকে ৪৫০০ টাকা, গাড়িতে করে জরুরি পানি সরবরাহ করার ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, মিটার ক্রয়/পরিবর্তন করতে ১০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা মিটার রিডিং ও বিল-সংক্রান্ত বিষয়ে ৫০ থেকে ৩০০০ টাকা এবং গভীর নলকূপ স্থাপনে এক লাখ থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার পানির নিম্নমানের কারণে ৯৩ শতাংশ গ্রাহক বিভিন্ন পদ্ধতিতে পানি পানের উপযোগী করে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ গ্রাহকই পানি ফুটিয়ে বা সেদ্ধ করে পান করে। গৃহস্থালি পর্যায়ে পানি ফুটিয়ে পানের উপযোগী করতে প্রতিবছর আনুমানিক ৩৩২ কোটি টাকার গ্যাসের অপচয় হয়।

এছাড়া পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবার নিম্নমান এবং সেবা সম্পর্কে প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি সেবাগ্রহীতা অসন্তুষ্ট। 

এস

 

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়