• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

মিরপুরে চৈত্রে হাটু পানি, বর্ষায় কী হবে?

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৪৭ | আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:০১
চৈত্র মাসের শেষদিক এখন। মাঝে মাঝেই হানা দিচ্ছে কালবৈশাখী। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) নগরীর আকাশে কয়েক ধাপে হানা দেয় বৃষ্টি।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে দুপুরে ১৮.০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর তাতেই হাটু পানি জমে যায় মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায়।

whirpool
কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, শ্যামলী, রোকেয়া সরণি, মিরপুর ১০, মিরপুর ১১, কালশী, আরামবাগ, ফকিরাপুল, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।আর সেই সাথে হয় তীব্র যানজট।চরম ভাগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

মিরপুর কাজীপাড়ার বাসিন্দা মেহেতাব খানম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার ছেলে মিরপুর আইডিয়াল কলেজে পড়ে। মিরপুর ১০ নম্বর থেকে কাজীপাড়া একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে যায়।তখন রাস্তার গর্ত বুঝা যায় না। রিকশা একটু এদিক ওদিক হলেই ময়লা পানিতে পড়ে হাবুডুবু খেতে হয়।

আয়েশা সিদ্দিকা নামে স্থানীয় একজন বাসিন্দা মিরপুর ১১ নম্বরের জলাবদ্ধতার একটি ভিডিও ফেসবুকে আপ করেন। তাতে দেখা গেছে, পানির কারণে কোনও যানবাহনই চলাচল করতে পারছে না। অনেকগুলো ব্যক্তিগত গাড়ি সড়কে আটকে রয়েছে। দুই একটি রিকশা চললেও কোমরপানি পর্যন্ত ডুবে রয়েছে সেগুলো।

তার ভিডিওর নিচে আফসানা চৌধুরী নামে এক ব্যাক্তি কমেন্ট করেছেন। ‘আসছে বর্ষাকাল নৌকা নিয়ে হও প্রস্তুত’।  

মিরপুর ১০ এর আল আমিন কনফেকশনারি দোকানের মালিক আরটিভি অনলাইনকে বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলে এখানে পানি জমে যায়। রাস্তায় জানজটের সৃষ্টি হয়। মানুষ কোনো কারণ ছাড়া ভিড় করে। বেচা বিক্রি হয় না।

এই জলাবদ্ধতাকে পুঁজি করে আবার কিছু মানুষ ফায়দাও লুটছে। রিকশা বা ভ্যানে করে পানি পার করে দিয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছে।

তবে এসব জলাবদ্ধতার জন্য ঢাকা ওয়াসাকেই দায়ী করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।ঢাকা উওর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল হাই আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মিরপুর ও কালশী এলাকার ৮-৯টি খাল দখল হয়ে গেছে। এসব খালের দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা ওয়াসা। এর পরেও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই খাল উদ্ধার করতে হবে। খালগুলো নিয়ে আমাকে একটা রিপোর্ট দেয়া হবে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।

তিনি বলেন, ওই এলাকার সাংবাদিক খালসহ আরও ৮ থেকে ৯টি খাল দখল হয়ে গেছে। এজন্য আমি একটা রিপোর্ট দিতে বলেছি। আমি বলেছি, আমাদের সবাইকে অ্যাকশনে যেতে হবে। এর পর দেখবো কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, খালের দায়িত্ব হচ্ছে ওয়াসার। আর পাড়ের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের। সাংবাদিক খালটি পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে। আমি বলেছি, আমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে কাজ করবো। জনস্বার্থে আমি নিজে যাবো। খুব দ্রুত এটার সমাধানে যেতে হবে।

আরসি/ এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়