logo
  • ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

হোলি আর্টিজানে হামলার অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:৪৪ | আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ১৪:৪৫
শনিবার মধ্যরাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে মামুনুর রশীদ রিপনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব (ফাইল ছবি)
রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি মো. মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল শনিবার দিনগত মধ্যরাতে গাজীপুর মহানগরীর বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

bestelectronics
জেএমবির অন্যতম সুরা সদস্য রিপন গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার অর্থ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী বলে র‌্যাব জানায়।

রোববার র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শনিবার দিনগত রাতে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই শীর্ষ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রিপন গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় অর্থ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী এবং ওই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। রিপনের কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

হোলি আর্টিজানে হামলা মামলার বিচারকাজ চলমান রয়েছে। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। গত বছরের ২৬ নভেম্বর এই মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ৩ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, তারা হলেন—রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন। মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন গতকাল গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখন এই মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি পলাতক রয়েছেন। তার নাম শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ।

হলি আর্টিজান হামলার ঘটনার পর তদন্তে ২১ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পান কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন জঙ্গি অভিযানে আরও আটজন মারা যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে হলি আর্টিজান রোস্তোরাঁয় হামলা চালায় জঙ্গিরা। তারা অস্ত্রের মুখে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। ওই রাতে জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডের আঘাতে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত হয়। পরে পুলিশ ১৮ বিদেশিসহ ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পি

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়