DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৩ বৈশাখ ১৪২৬

পোষা কুকুর জবাই, দুই চীনা নাগরিকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

পাভেল রহমান, আরটিভি অনলাইন
|  ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:২১ | আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:৪২
কুকুরদের খাওয়াচ্ছেন শাহনেওয়াজ কাকলী। ছবি: সংগৃহীত
অভিনেতা প্রাণ রায় ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহনেওয়াজ কাকলী দম্পতির একটি পোষা কুকুর ধরে নিয়ে জবাই করার অভিযোগে দুই চীনা নাগরিকের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সাধারণ ডায়েরি নং ৩০৭। গতকাল সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর প্রতিবেশীর ড্রাইভার দেখতে পেয়ে সবাইকে খবর দিলে, গিয়ে দেখেন কুকুরটিকে জবাই করে চামড়া আলাদা করা হচ্ছে। এরপর পুলিশকে খবর দেয়া হলে এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চীনা নাগরিককে নিয়ে যাওয়া হয় খিলক্ষেত থানায়। কিন্তু তাদের ভাষা না বোঝার কারণে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে জানান থানার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা।

জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই চীনা নাগরিকের নাম চিমিং ও লিয়ান। পেশায় তারা ভিডিও গেমস সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বললেও তাদের বাসায় থাকার মতো কোনও কিছুই নেই।

এ ব্যাপারে শাহনেওয়াজ কাকলী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এই ঘটনায় আমরা মর্মাহত। এমন কিছু যেন আর পরবর্তীতে না ঘটে, তাই আমরা এখন চীনা দূতাবাসে একটা চিঠি পাঠাবো। সব দেশেরই নিজস্ব কিছু নিয়মনীতি থাকে। আমরা যখন বিদেশে যাই, ওই সব দেশের নিয়ম মেনেই চলি। এই দুই চীনা নাগরিক এদেশে এসে যে কাজটি করেছে, তার জন্য তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।’ 

কাকলী আরও বলেন, ‘নিহত কুকুরটির নাম রাখা হয়েছিল কুকিজ। পিংক সিটি আবাসিক এলাকায় মোট ১৩টি কুকুর আছে। তার মধ্যে আমাদের ৬টি কুকুর। টি, কফি, ব্রাউনি, বাটার, মিল্কী, কুকিজ। এখানে সব কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়া। কুকুরগুলোকে সুচিকিৎসা ও সুষম খাবার দিয়ে লালন-পালন করা হয়।’

পালিত কুকুরগুলো তাদের পরিবারের সদস্য উল্লেখ করে কাকলী বলেন, ‘প্রাণ (প্রাণ রায়) যখন শুটিংয়ে চলে যায়, এই দোতলা বাড়িতে আমি একা থাকি। কিন্তু আমার ভয় লাগে না। কারণ নিচে কুকুরগুলো নজরদারি করে রাখে আমাকে। নির্ভয়ে আমি ঘুমাতে পারি, ওই কুকুরগুলোর ভালোবাসায়।’

এ ব্যাপারে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাজিরুল রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় চীনা দুই নাগরিককে থানায় আনা হয়েছিল। কিন্তু তাদের ভাষা না বোঝার কারণে আপোষ মীমাংসা করা যায়নি। আমরাও কোনও পদক্ষেপ নিতে পারিনি। অভিযোগকারী প্রাণ রায়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন :

পিআর/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়