
ফুটপাত মানে, হেঁটে চলার পথ। কিন্তু ঢাকায় বাস্তবতা ভিন্ন। ফুটপাত মানেই হাট-বাজার, ফুটপাত মানেই সারি সারি হকার। আড়াই লাখের বেশি হকার মিলে ফুটপাতের বড় একটা অংশ দখলে নিয়েছে। তাই, পথচারীদের নামতে হচ্ছে সড়কে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হকার ও পথচারীর মধ্যে একটা সমন্বয় করতে হবে। হকারদের পুনর্বাসন করে ক্রমান্বয়ে সরিয়ে দিতে হবে।
ঢাকার ফুটপাতগুলোর বাঁধা হিসেব করলে সংখ্যায় অর্ধ-শতাধিক হবে। তবে সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান, হকারদের দৌরাত্ম। একেবারে হাট-বাজার বানিয়ে বসে আছে রাজধানীর জনবহুল এলাকা ফুটপাতগুলোতে।
ফুটপাত যেহেতু পথচারীদের জন্য তাই দুই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে হকারদের প্রায়ই উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা চলে। বাস্তবে সে খেলায় জয়ী হয় হকাররাই। সংখ্যাটাও এতো বেশি যে তাদের সঙ্গে পেরে ওঠা যায় না। তবে আড়াই লাখ হকারের কথা বিকল্প ব্যবস্থা হলেই ছেড়ে দেবেন ফুটপাত।
যাদের চলাচলের পথ দখল করে চলছে ব্যবসা, তারাও অনেকটা মানবিক হকারদের প্রতি। বলছেন, পুনর্বাসনের মাধ্যমেই স্থায়ী সমাধান হবে।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা দু’টোর মধ্যে সমন্বয় করে একটি পরিবেশবান্ধব ফুটপাত উপহার দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ক্রমান্বয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের অধিকার পথচারীদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার কথা বলছেন।
ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রকল্প কর্মকর্তা মারুফ রহমান বলেন, হকাররাও ব্যবসা করবে আবার পথচারীরাও চলবে। কেউ কারও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। সেভাবে যদি আমরা ব্যবস্থাপনা করতে পারি বা অবকাঠামো উন্নয়ন করতে পারি তবে সমাধান হবে।
উত্তর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফা বললেন, হকারদের পুনর্বাসন বা তাদের জন্য সাপ্তাহিক বাজার চালুর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের যেখানে-সেখানে বসতে দিবো না।
হকারদের দৌরাত্ম্যে অচল দক্ষিণ সিটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তবে এ নিয়ে তাদের ভাবনাটা জানা যায়নি। মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা বা জনসংযোগ বিভাগ, সব জায়গায় যোগাযোগ করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন :
এসএস




