logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

রাজীবের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১০:০৪ | আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১০:২০
রাজধানীর কাওরান বাজারে দুই বাসের চাপায় হাত হারানো কলেজছাত্র রাজীব হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।    

bestelectronics
নিসচা এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, যান চলাচল ব্যবস্থা ও দক্ষ চালকের অভাবে প্রতিনিয়ত এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে, যা মোটেও কাম্য নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : রাজীবের মৃত্যুতে চিফ হুইপের শোক প্রকাশ
--------------------------------------------------------

সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীব মারা যান।   

রাজীব হোসেনের মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

গেল ৩ এপ্রিল রাজধানীর বাংলামোটরের দিক থেকে ফার্মগেটমুখী বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন। হাতটি বেরিয়েছিল সামান্য বাইরে। হঠাৎই পেছন থেকে একটি স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে ওভারটেক করার জন্য বাঁ দিক গা ঘেঁষে পড়ে। দুই বাসের প্রবল চাপে রাজীবের হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পরে তাকে রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন বুধবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাজীবের সুচিকিৎসার জন্য সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। চিকিৎসার সমস্ত খরচ বহন করে সরকার।

সেখানে সাময়িক উন্নতির পর গত সোমবার থেকে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রাজীবের মস্তিষ্ক অসাড় হয়ে যায়। সে থেকে আর জ্ঞান ফেরেনি তার।

রাজীবের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলে। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মা এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবাকে হারান। রাজীব ও তার ছোট দুই ভাই পটুয়াখালীর বাউফলে নানার বাড়িতে ছিলেন।

ঢাকার মতিঝিলে খালার বাসায় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন স্নাতকে।

নিজের পায়ে দাঁড়াতে কম্পিউটার কম্পোজ, গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ শিখছিলেন। ছাত্র পড়াতেন। দম ফেলার ফুরসত পাননি। লক্ষ্য ছিল একটাই, নিজের পায়ে দাঁড়ানো, ভাই দুটির দায়িত্ব নেয়া। কিন্তু আজ সবাইকে রেখে রাজীব চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

আরও পড়ুন :

জেএইচ

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়