logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

১৬৫ ফুট নৌকায় চড়ে আসছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব

হোসাইন তারেক
|  ২১ অক্টোবর ২০১৬, ১৩:০৮ | আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৬, ১৯:১০
কয়েক ঘণ্টা পরই দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। সম্মেলন মাঠ সেজেছে বর্ণিল সাজে। সেজেছে রাজধানী ঢাকার রাজপথও। সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারত, চীনসহ ১১টি দেশের ৫৫ নেতা আসছেন। তাদের সামনে তুলে ধরা হবে ‘শক্তিশালী’ আওয়ামী লীগকে।

bestelectronics
২২ ও ২৩ অক্টোবরের এ সম্মেলনে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে নৌকার তৈরি বিশাল মঞ্চ। যার আয়তন ১৬৫ ফুট। এ নৌকায় চড়েই আসবে ক্ষমতাসীনদের আগামী দিনের নেতৃত্ব। এমনটাই জানালেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

আরটিভি অনলাইনকে নানক জানান, ২০তম সম্মেলন সফল করতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সম্মেলনের জন্য নৌকার আদলে তৈরি ১৬৫ ফুটের মঞ্চে থাকছে ১৫০ আসন। যেখানে দলের সভানেত্রী, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সিনিয়র নেতারা বসবেন।

আগত অতিথিদের জন্য ১০০টি ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, ২০টি টি-স্টল, বড় ১০ ড্রাম খাবার পানি, ৫টি মেডিক্যাল ক্যাম্পও থাকবে সম্মেলনস্থলে। আগত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের সেবায় থাকবে ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। সম্মেলনে আগত ৫০ হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের খাবার ব্যবস্থা করবে আপ্যায়ন উপ-কমিটি। দেশি-বিদেশি সবার জন্য থাকছে একই খাবার।

দেশের ৮ বিভাগের জন্য থাকছে আলাদা আলাদা বুথ। এছাড়া মহিলা ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্যও বুথ থাকছে। প্রতিটি বুথে ১শ’ জন দলীয় স্বেচ্ছাসেবক ও ২০ জন করে পুলিশ সদস্য থাকবে।

কাউন্সিলর, ডেলিগেট, সম্মানিত বিশেষ অতিথি, বিশিষ্ট নাগরিক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের জন্য থাকছে আলাদা বসার স্থান। ভেতরে ও বাইরে থাকবে ৪০ হাজার আসন। প্যান্ডেল ও এর আশেপাশে সুশৃঙ্খলভাবে সম্মেলন উপভোগের জন্য ১৬টি বড় পর্দার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়াও মঞ্চে থাকছে থ্রি-ডি বড় পর্দা।

কাউন্সিলর, ডেলিগেট, বিশেষ অতিথিসহ সবার জন্য থাকছে সম্মেলনে প্রবেশের আলাদা পথ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিশুপার্ক সংলগ্ন গেট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের প্রবেশ পথ সংরক্ষিত থাকবে কূটনীতিক ও বিদেশিদের জন্য।

রমনা কালী মন্দির, রাজু ভাস্কর্য ও চারুকলা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন প্রবেশপথ দিয়ে কাউন্সিলর, সাধারণ ডেলিগেট, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ও সাংবাদিকরা প্রবেশ করবেন।

এদিকে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ২১ অক্টোবর সকাল থেকে সম্মেলন মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাব। নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে সাধারণের চলাচলও। অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কাউকেই প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

সম্মেলনের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে প্রায় ২ হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। তাছাড়া সম্মেলন মাঠে মোবাইল, তরল পদার্থ, যে কোনো প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।

এইচটি/ কে/ এস

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়