logo
  • ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

প্রস্তুত ঢাকা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৩ অক্টোবর ২০১৬, ২০:২৫ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৬, ০৯:২৮
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ঢাকা। এরইমধ্যে সব ধরনের সাজসজ্জা সম্পন্ন হয়েছে। গত প্রায় ৩০ বছরে প্রথমবারের মতো চীনের কোনো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফর করবেন।

bestelectronics
দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার সকালে ঢাকায় পৌঁছবেন প্রেসিডেন্ট শি। লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হবে তাকে। সফরকালে দু’দেশের মধ্যে বেশ কিছু চুক্তি সই হবে।

এরই মধ্যে ঢাকার রাজপথ নানা রঙের ব্যানার, পোস্টারসহ চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মূল শহর পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পথ  সাজানো হয়েছে হাজার হাজার পোস্টার দিয়ে। ‘আপনাকে আন্তরিক স্বাগতম চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং’, ‘বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক দীর্ঘজীবী হোক’সহ বিভিন্ন রকম বক্তব্য বা স্লোগান লেখা হয়েছে এসব পোস্টারে।

চীনের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে গেলো মঙ্গলবার থেকে ঢাকায় ৭ দিনব্যাপি চীনবিষয়ক বই প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্য কার্যালয়ের উদ্যোগে এ প্রদর্শনীতে ‘শি জিনপিংয়ের রাষ্ট্রপ্রশাসন নীতি’সহ চীনবিষয়ক এক হাজারেও বেশি বই রয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, সমাজ এবং ‘এক অঞ্চল, এক পথ’সহ বিভিন্ন বিষয়ের বই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। চীনা, ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় লেখা বই উপস্থাপন করা হচ্ছে প্রদর্শনীতে।

এদিকে চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে দেয়া সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শি বাংলাদেশে আসছেন এজন্য আমরা খুব খুশি এবং সম্মানিত বোধ করছি। আমি বিশ্বাস করি তার সফর দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও আরো গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে হাসিনা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ভালো প্রতিবেশীসুলভ মানসিকতা, পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা ও একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা- এই পাঁচ মূলনীতির ওপর দু’ দেশের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে। বাংলাদেশ এক চীন নীতিতে বিশ্বাসী।’

তিনি বলেন, ‘চীন আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যবসা অংশীদার। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চীনকে আমরা একটি আস্থাশীল অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করি। এ সরকারের অনেক মেগা-প্রকল্পে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে চীনই প্রধান ভূমিকায়।’

চীন প্রস্তাবিত ‘ওয়ান-বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি অংশের যোগাযোগ তৈরিতে তারা এখন কাজ করছেন। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি একক অর্থনৈতিক যোগাযোগ তৈরিতেও তারা কাজ করছেন। এটা পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বৃহত্তর যোগাযোগ তৈরির পাশাপাশি দক্ষিণের সমুদ্র বন্দরগুলোর মাধ্যমে তিনটি ইকোসিস্টেমকে বাকি বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত করবে।’

বস্ত্র, চামড়া, পেট্রোকেমিক্যাল, ওষুধ, জাহাজ নির্মাণ ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণের মতো বাংলাদেশের উদীয়মান খাতগুলোতে চীনা কোম্পানির বিনিয়োগ প্রত্যাশা শেখ হাসিনার।

বাংলাদেশ সফরকারে চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন এবং রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

এদিকে শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরকে স্বাগত জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বামদলগুলো।

এস/ এসজেড

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়