Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কৌশলগত অংশীদারদের চেয়ে গভীরতর’

‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কৌশলগত অংশীদারদের চেয়ে গভীরতর’
ফাইল ছবি

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ অন্য যেকোনো কৌশলগত অংশীদারদের চেয়ে গভীরতর এবং দুই প্রতিবেশী দেশের জন্য এই সম্পর্ক একটি ‘রোল মডেল’।

তিনি বলেন, ‘সমকালীন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতীয় কূটনীতির দুটি প্রধান স্তম্ভ-প্রতিবেশী ফার্স্ট এবং অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি, যা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রাণবন্ত সম্পর্কের অভিব্যক্তির মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।’

শনিবার (২৩ অক্টোবর) ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধে মানবিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক নিয়ে’ ‘স্বরনিম বিজয় বর্ষ কনক্লেভ : ২০২১’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব, বোঝাপাড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার চেতনা অব্যাহত থেকে এই সম্পর্ক আরও বিভিন্ন দিকে প্রসারিত হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে উভয় দেশের জনগণের সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারত এবং বাংলাদেশ একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ বা স্বর্ণযুগের অংশীদার হয়েছে। এই অংশীদারত্বের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উভয় দেশের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অব্যহত রাখতে হবে, যা তৈরি হয়েছিল ৫০ বছর আগে।

শ্রিংলা বলেন, এই বছরটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, এই বছরটি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ভারত বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী।

তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ বিভিন্নভাবে সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতা, যা নির্ধারিত হয়েছিল ৫০ বছর আগে। মুক্তিযোদ্ধারা এখনও দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছে।

‘মুক্তিবাহিনীর’ (মুক্তিযোদ্ধা) জোর লড়াইয়ের সমর্থনে ভারতীয় বিমানবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব শ্রিংলা তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ১৯৭১ প্রকৃতপক্ষে নিষ্ঠুর একনায়কের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের লড়াই ছিল। সূত্র: বাসস

আরএ/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS