logo
  • ঢাকা সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

দুই শতাধিক প্লটের মালিক গোল্ডেন মনির

Golden Monir owns more than two hundred plots
দুই শতাধিক প্লটের মালিক র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার গোল্ডেন মনির
র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার গোল্ডেন মনিরের রয়েছে স্বর্ণ ও সম্পদের পাহাড়। কয়েকমাস আগে গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য পায়, মনির ওরফে গোল্ডেন মনিরের কাছে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রয়েছে। যা তদন্ত করেতে গিয়ে তার নানান অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসে। তদন্তে গোল্ডেন মনিরের দুই শতাধিক প্লটের সন্ধান পায় র‌্যাব।

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, গোল্ডেন মনিরের বাসায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি, বিদেশি মদ, ৬০০ ভরি (৮ কেজি) স্বর্ণ, ১০টি দেশের মুদ্রা (টাকা হিসেবে ৯ লাখ) ও নগদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বাড্ডা ও কেরাণীগঞ্জে দুশোরও বেশি প্লটের হদিস পেয়েছে র্যা ব।

নব্বই দশকে গাউছিয়া মার্কেটের কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী মনির রাতারাতি স্বর্ণ চোরাকারবারী, হুণ্ডি ও ভূমি ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন। অভিযানকালে অবৈধভাবে আমদানি করা দুটি বিলাসবহুল গাড়ি পাওয়া যায়। যার মূল্য তিন কোটি টাকার ওপরে। এছাড়া শোরুমে আরও তিনটি গাড়ি পাওয়া যায়।

র‌্যাব জানায়, গোল্ডেন মনিরের আরেকটি পরিচয় আছে, সেটা হচ্ছে ভূমিদুস্য। রাউজের অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজসে বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে মনির। ঢাকার শহরের ডিআইটি প্রজেক্ট, বাড্ডা, নিকুঞ্জ, উত্তরা ও কেরাণীগঞ্জে ২০০ এর বেশি প্লট রয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০টির কথা সে আমাদের কাছে স্বীকার করেছে।

মনির মূলত হুন্ডি ব্যবসায়ী, স্বর্ণ চোরাকারবারি এবং ভূমির দালাল। তার গাড়ির একটি শোরুম রয়েছে। এর পাশাপাশি রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটে একটি স্বর্ণের দোকানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার বাসা থেকে অনুমোদনবিহীন দুটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে র‌্যাব, যার একেকটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। 

র‌্যাব বলছে, গ্রেপ্তারকৃত মনির ৯০ দশকে গাউছিয়া মার্কেটে একটি দোকানের কাপড়ের সেলসম্যান ছিল। পরবর্তীতে ক্রোকারিজের ব্যবসা, এরপর ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে লাগেজ ব্যবসা এবং সর্বশেষ স্বর্ণ চোরাকারবারি চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ অবৈধভাবে সে দেশে নিয়ে এসেছে। ঢাকা, সিঙ্গাপুর ও ভারত ছিল তার স্বর্ণ চোরাচালানের রুট।
পি
 

RTVPLUS