ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন : রাষ্ট্রপতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২০, ০৯:০০ এএম
রাষ্ট্রপতি ।। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন। তাই আমাদের দায়িত্ব হবে জ্ঞানগরিমায় সমৃদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করে বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর স্বপ্ন। তাই আমাদের দায়িত্ব হবে জ্ঞানগরিমায় সমৃদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করে বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা। তাহলেই আমরা চিরঞ্জীব এই মহান নেতার প্রতি যথাযথ সম্মানপ্রদর্শন করতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘এবছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২০২১ সালে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। এ দুটি জাতীয় অনুষ্ঠান বাঙালি জাতির ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক। আমি মনে করি এ দুটি অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য-আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প-২০২১’, ‘রূপকল্প-২০৪১’ ও ‘ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০’ ঘোষণা করেছেন। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমি দলমতনির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই। আসুন, জাতীয় শোক দিবসে আমরা জাতির পিতাকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করি এবং তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আত্মনিয়োগ করি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশসহ গোটাবিশ্ব আজ করোনা মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। করোনার প্রভাবে সারাবিশ্ব আজ স্থবির হয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য, আন্তঃদেশীয় যাতায়াতসহ অর্থনীতি এক মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি দেশবাসীকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। ‘ভয় নয়, সতর্কতা’ এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’

---------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: বনানী কবরস্থানে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
---------------------------------------------------------------

শনিবার জাতীয় শোক দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী। বাঙালি জাতির ইতিহাসে ১৫ আগস্ট এক কলঙ্কজনক অধ্যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের এদিনে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ঘাতকচক্রের হাতে ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শাহাদাতবরণ করেন। একই সঙ্গে শহিদ হন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ অনেক নিকট আত্মীয়। এমন ঘটনা কেবল দেশের ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর ইতিহাসেও বিরল। আমি শোকাহত চিত্তে তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা মহান স্বাধীনতার রূপকার। ১৯৪৮ সালে ভাষার দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বসহ ১৯৫২ এর মহান ভাষা আন্দোলন ’৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ’৫৮ এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২ শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন, ’৬৬ এর ৬-দফা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ’৭০ এর নির্বাচনসহ বাঙালির মুক্তি ও অধিকার আদায়ে পরিচালিত প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাঁকে বারবার কারাবরণ করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন আপোষহীন। ফাঁসির মঞ্চেও তিনি বাংলা ও বাঙালির জয়গান গেয়েছেন। দীর্ঘ চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এই মহান নেতা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’, যা ছিল মূলত স্বাধীনতার ডাক। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁরই নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ আজ অভিন্ন সত্তায় পরিণত হয়েছে। ঘাতকচক্র জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতার নাম এ দেশের লাখো-কোটি বাঙালির অন্তরে চির অমলিন, অক্ষয় হয়ে থাকবে।’ খবর বাসস।

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনায় কেটে গেলো একটি বছর। অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে অতীতের খাতায় জমা হলো ২০২০ সাল। বিগত সময়ে সকল দুঃখ, কষ্ট, হতাশা, গ্লানি ও বেদনা ভুলে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করে নিলো ২০২১ সালকে।  বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, পদ্মা সেতু চালু, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ নানা কারণে ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। উন্নয়নে নেয়া নানা উদ্যোগ পূর্ণ হবে, অগ্রগতির পথে সব জটিলতা দূর হবে- আজ এটাই সবার প্রত্যাশা। মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  ইংরেজি নতুন বছর ২০২১-এ দেশের মানুষ নতুন করে জীবন সাজানোর স্বপ্ন দেখেন। ফেলে আসা দুঃখ-বেদনা ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাই আজ হৃদয়ে হৃদয়ে বেজে ওঠে একটাই প্রার্থনা- নতুন বছরটি যেন ভালো কাটে। নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা নিয়ে এগিয়ে চলা। পেছনে ফেলে আসা বছরের সকল গ্লানিকে দূরে ঠেলে নতুন উদ্যমে সাহস নিয়ে পথচলা। সভ্যতার ইতিহাস বলে, অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এই স্পৃহাই মানুষকে নিয়ে এসেছে এতদূর। তাই নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যাবে বিশ্বের অন্যান্য জাতির মতো বাঙালিরাও। এফএ
স্বাগতম ২০২১, বিদায় ২০২০
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে পড়তে আসার সুযোগ পাচ্ছে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীরা
১৯টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এদেশে হবেই, পারলে ঠেকাইয়েন: নিক্সন চৌধুরী
নির্বাচন কমিশনকে বরখাস্ত করার আহ্বান বাম গণতান্ত্রিক জোটের