'শাহেদের পাচার করা অর্থ থাকতে পারে চার দেশে' (ভিডিও)

প্রকাশ | ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০:৫৯ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২০, ২১:৩২

আরটিভি নিউজ
শাহেদ করিম। ফাইল ছবি।

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া, চিকিৎসার নামে টাকা আত্মসাৎ, দখল, নির্যাতন, জাল টাকা, ভুয়া লাইসেন্স দেয়াসহ হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে নতুন নতুন অপকর্মের প্রমাণ মিলছে। 

এছাড়া সিঙ্গাপুর-ভারতসহ কয়েকটি দেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের কথা স্বীকার করেছে র‍্যাবের হেফাজতে থাকা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম। এ কাজে সহায়তাকারীদের নামও পেয়েছে সংস্থাটি। টাকা ফেরত আনতে নেয়া হচ্ছে সিআইডির সহায়তা। আর সাহেদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের করা ১৬০ অভিযোগের ব্যাপারেও ব্যবস্থা নিচ্ছে র‍্যাব। 

শাহেদ করিম বর্তমানে খুলনায় র‍্যাব হেফাজতে। সাতক্ষীরা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাবার সময় অবৈধ অস্ত্র রাখার মামলার দশ দিনের রিমান্ডে সে। জিজ্ঞাসাবাদে এরই মধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন সাহেদ। জানিয়েছেন অনিয়ম দুর্নীতি করে কামানো বিপুল অর্থের সন্ধান, যার বড় অংশই পাচার করেছে বিদেশে।  

র‍্যাবের  আইন ও গণ মাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, শাহেদ জিজ্ঞাসাবাদে আমাদের জানিয়েছে তার অবৈধভাবে উপার্জনের বড় অংশ দেশের বাইরে পাচার করেছে। চারটি দেশে তার ঘন ঘন যাতায়াত ছিল। নেপাল, ভারত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। পাচারকৃত অর্থ এই চারটি দেশে থাকতে পারে। তার বিরুদ্ধে যেন মানি লন্ডারিং মামলা করা যায় সে বিষয়ে আমরা সিআইডিকে জানিয়েছি। 

র‍্যাবের মুখপাত্র জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগিদের করা ১৬০টি অভিযোগ যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে। বালুভরাট ও যে কোনো ধরণের সাপ্লাই কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতেন। তিনি আমাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন, আমরা সেগুলো যাচাইবাছাই করছি। 
করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বেশ কয়েকটি অপরাধে র্যা বের ও পুলিশের দায়ের করা মামলায় ৩৮ দিনের রিমান্ডে রয়েছে শাহেদ করিম।

জিএ