• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

২৩ বছরে কতটা বদলেছে বাংলাদেশ?

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:১৫ | আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:২৩
২৩ বছর পর আবারও বাংলাদেশ দল কোনও টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই)। বলা যায় একেবারেই নতুন একটা পরিবেশে খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। কেমন করবে নতুন কোচ স্টিভ রোডসের শিষ্যরা? এ নিয়ে ভাবনার কমতি নেই ভক্ত কিংবা খেলোয়াড়দের ভেতরও।

১৯৯৫ সালের এশিয়া কাপে আকরাম খানের নেতৃত্বে যে দলটা খেলেছিল ভারত, পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেই দল একটা ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখেনি। এটা যদিও তখন সাধারণ ঘটনা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য। এরপর আর কোনও ম্যাচ খেলা হয়নি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে।

সেবার রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে হওয়া এশিয়ার সেরার লড়াইয়ে প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৯ উইকেটে হারতে হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে লঙ্কানরা জয় পায় ১০৭ রানে। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটের পরাজয় দিয়ে শেষ হয় আকরাম খানের নেতৃত্বে খেলা দলটির এশিয়া কাপ যাত্রা।

কিন্তু এখনকার বাংলাদেশ দলের কাছে প্রত্যাশার কমতি নেই ভক্তদের। মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে যে দলটা বিশ্বকাপের মতো আসরে কোয়ার্টার ফাইনাল, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সেমি-ফাইনাল খেলে। সবশেষ তিনবারের এশিয়া কাপে যে দল দুইবার রানার-আপ হয়, সেই দলটার প্রতি প্রত্যাশা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

টাইগার অধিনায়ক যদিও বরাবরের মতো এবারও বলেছেন প্রত্যাশা কমাতে। ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলেই এগুতে চান সামনের দিকে।

কিন্তু মরুর দেশের অচেনা কন্ডিশনে কেমন খেলবে বাংলাদেশ? প্রশ্নটা থেকেই যায়। গত ২৩ বছরে একটি ম্যাচও না খেলা বাংলাদেশ কতটা সাফল্য পাবে?

এমন প্রশ্নে গত বুধবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, অনেকেই এই প্রশ্নটা করেছেন এর আগেও। আবার আমাদের অনেক প্লেয়ারও আশাবাদী এবারের টুর্নামেন্ট নিয়ে তবে আমি আমি বলব আমাদের সামর্থ্য আছে। 
ইউএই’র উইকেট স্পিন সহায়ক উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, আমাদের স্পিনাররাও ফর্মে আছে। সেখানে আমাদের থেকেও ভালো দল রয়েছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়না অন্য দলগুলো থেকে আমাদের বেশি গ্যাপ আছে। আমার কাছে মনে হয়, ম্যাচ বাই ম্যাচ ভাল খেলতে পারলে সব কিছু সম্ভব। তবে সব কিছুর আগে নির্ভর করছে প্রথম ম্যাচটা ভাল খেলে জিততে পারি কি না সেটার ওপর। 

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আমিরাতের মাটিতে না খেলার দীর্ঘ দুই যুগের খরা ঘোচাবে বাংলাদেশ। তার সঙ্গে প্রথমবারের মতো এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হবার হাতছানিতো রয়েছেই।

দল হিসেবে না খেলা হলেও বর্তমান দলের অনেকে খেলেছেন বিভিন্ন সময়ে। সাকিব, তামিম, মাহমুদুল্লাহ, মুস্তাফিজরা পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএএসএল) অংশ নিতে ইউএই’র মাঠে খেলেছেন আগেই। আপাতত ওই অভিজ্ঞতাগুলোই সাহস যোগাতে সহায়তা করবে বাংলাদেশ দলকে।

আরও পড়ুন :

এমআর/ওয়াই

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়