• ঢাকা সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫

টেন্টব্রিজের ভারতের দেখা মিললো সাউদাম্পটনে

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১২:৫১ | আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৮, ১৪:১৫
প্রথম দুটি টেস্ট হেরে অনেকটা ব্যাকফুটেই ছিল ভারত। সমালোচনার অন্ত ছিল না। কিন্তু তৃতীয় টেস্টে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। অপর দিকে ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়কে দীর্ঘায়িত করে টিম ইন্ডিয়া। 

যেখানে ভারতে ৫-০তে হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন দেখছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড সেখানে তারা তৃতীয় টেস্টে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়। তারই রেশ খুজে পাওয়া গেল চতুর্থ টেস্টেও। যেন ভারত টেন্টব্রিজে যেখানে শেষ করেছিল সাউদাম্পটনে সেখান থেকে শুরু করেছিল আবার। 

৫ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের চতুর্থ টেস্টে টসে জয়লাভ করে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। কিন্তু ভারতীয় পেসারদের তোপে পড়ে ৮৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে মুমূর্ষু দলকে অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে তোলেন দ্বিতীয় টেস্টে সেরা খেলোয়াড় স্যাম কুরান। অথচ এই কুরানই তৃতীয় টেস্টে বাদ পড়েন বেন স্টোকসকে জায়গা করে দিতে। কাল আরও একবার দলে নিজের যথার্থতা প্রমাণ করলেন কুরান। 

৮৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড যখন ধুঁকছে তখনই দলকে উদ্ধার করতে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যান তিনি। মঈন আলীর সঙ্গে ৮১ ও স্টুয়ার্ট ব্রডের সঙ্গে ৬৩ রানে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে চতুর্থ টেস্টে অক্সিজেন দিয়ে রাখেন। যদিও তিনি শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরির দেখা পাননি। তার আগে ৭৮ রান করে অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরত আসেন। অবশ্য তার আগেই তিনি দলকে সঠিক পথে রেখে আসেন। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ২৪৬ রানে গিয়ে ঠেকে। জবাবে বৃহস্পতিবার প্রথম দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৯ রান।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ড তৃতীয় ওভারে বুমরাহর ইন সুইং বলে এলবির শিকার হন জেনিংস। দলীয় ১৫ রানে ইশান্ত শর্মার ইন সুইং বলে এলবির শিকার হন অধিনায়ক রুট। এরপর বেয়ারস্টো বুমরাহর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। অন্যপ্রান্তে কুক কিছুটা চেষ্টা করলেও নিজস্ব ১৭ রান করে পান্ডিয়ার বলে তৃতীয় স্লিপে কোহলির দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন। 

পঞ্চম উইকেটে বাটলার ও স্টোকস প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এ জুটি ৩৩ রানের জুটি গড়েন। এ জুটিকে আর বড় হতে দেননি মোহাম্মদ শামি। প্রথমে বাটলারকে স্লিপে কোহলির ক্যাচ বানিয়ে ও পরে স্টোকসকে এলবির ফাঁদে ফেলে ফেরত পাঠান তিনি। তখন দলীয় স্কোর ৬ উইকেটে ৮৬ রান। এরপরই কুরান মঈন আলীকে নিয়ে ৮১ রানে জুটি গড়েন। কিন্তু ৪০ রানে অশ্বিনকে সুইপ করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে ফেরেন মঈন। এরপর ইশান্তের বলে এলবি হয়ে দ্রুতই ফেরত যান আদিল রশিদ। 

নবম উইকেটে কুরান ব্রডকে নিয়ে ৬৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ১৭ রান করা ব্রড বুমরাহর বলে এলবির শিকার হয়ে ৬৩ রানের জুটি ভাঙে। ব্রডের বিদায়ের ৬ রান পর অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে দশম উইকেট হিসেবে ফেরত যান কুরান। অবশ্য তার আগে ১৩৬ বলে ৮টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭৮ রান করেন। 

ভারতের হয়ে বুমরাহ ৩টি, ইশান্ত, শামি ও অশ্বিন ২টি এবং পান্ডিয়া ১টি উইকেট লাভ করেন। 

আরও পড়ুন :

এএ/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়