
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সাবেক কর্মকর্তা রাজন নায়ের। তার মতো সম্মানিত একজনের কাছ থেকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো ঘৃণ্য কাজের প্রস্তাব পাবেন বিশ্বাস করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমার। তবে তিনি সেটা ফাঁস করে দিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে সকল ধরণের ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে নায়েরকে ২০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।
রাজন হারারে মেট্রোপলিটন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের রাজস্ব ও মার্কেটিং ডিরেক্টর ছিলেন। মঙ্গলবার আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আইনের আওতায় এ শাস্তি ঘোষণা করে আইসিসি।
গত বছর জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের ফল প্রভাবিত করার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল ক্রেমারকে। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সেটা জানিয়ে দেন কোচ হিথ স্ট্রিককে। সেখান থেকে খবরটা পৌঁছে যায় আইসিসির এন্টি করাপশন ইউনিটের কাছে।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: ‘আর্জেন্টিনা ফেভারিট নয়, তবে বিশ্বকাপ চাই’
--------------------------------------------------------
এ ঘটনায় ক্রেমার বলেন, আমি মনে করি দুর্নীতিবাজদের কঠিন শাস্তি অন্যদের মধ্যে কঠিন বার্তা পৌঁছে দেয়, যারা এ ধরণের কাজে যুক্ত আছে। যেকোনো ক্রিকেটার, যারা আমার মতো পরিস্থিতিতে পড়বেন, তাদের প্রতি আমার বক্তব্য, আইসিসির কাছে অভিযোগ করুন। আইসিসি যে কোন অভিযোগকে সিরিয়াসলি নেয় ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে ব্যবস্থা নেয়। যদি আমরা দুর্নীতিকে খেলার বাইরে রাখতে চাই, তবে আমাদের সবাইকে নিজেদের মতো করে ভূমিকা রাখতে হবে।
আইসিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, হারারে মেট্রোপলিটন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেজারার এবং মার্কেটিং ডিরেক্টর নায়েরের নিষেধাজ্ঞা প্রাথমিকভাবে এখন থেকেই কার্যকর হলো।
নায়েরের বিরুদ্ধে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের তিনটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলো হলো-আন্তর্জাতিক ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা, ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য একজন খেলোয়াড়কে ৩০ হাজার ইউএস ডলার ঘুষের প্রস্তাব, সরাসরি একজন খেলোয়াড়কে আইন ভঙ্গের জন্য উৎসাহিত করা।
আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, আমি নায়ারের বিরুদ্ধে এ শাস্তিকে স্বাগত জানাই। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে শাস্তির দৈর্ঘ্য দিয়েই বোঝা যায় তার অপরাধের মাত্রা। আমি গ্রায়েম ক্রেমারকে ধন্যবাদ জানাই, সে চমৎকার পেশাদারিত্ব দেখিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এএ




