• ঢাকা শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

টুইট করে বিপাকে হার্দিক পান্ডিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ২২ মার্চ ২০১৮, ১৭:০২ | আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৮, ১৭:১২
টুইটার সোশ্যাল মিডিয়ার একটি অংশ। তাই এখানে পোস্ট করা প্রত্যেকটি মন্তব্যই ভেবে চিন্তে করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি টুইটে যে বিপাকে পড়তে হয় তা অজানা ছিল ভারতের তরুণ অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে ভীম রাও আম্বেদকরকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে ভারতীয় এ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেননি হার্দিক।

বুধবার যোধপুরের বিশেষ এসসি/এটি আদালত এমন নির্দেশই দিয়েছে পুলিশকে।

দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ডক্টর বিআর আম্বেদকরকে নিয়ে পান্ডিয়ার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে করা টুইটেই এই বিপত্তি। যদিও বলা হচ্ছে ওটা পান্ডিয়ার আসল টুইটার অ্যাকাউন্ট না, প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে কেউ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। যা বিপদ ডেকেছে পান্ডিয়ার জন্য।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ডে তামিম
--------------------------------------------------------

পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ আদালতের কাছে আবেদনটি দাখিল করেন ডি আর মেঘওয়াল নামের এক ব্যক্তি। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। নিজেকে তিনি জালোর জেলার রাষ্ট্রীয় ভীম সেনার সদস্য মনে করেন। তার দাবি, ২০১৭ সালে ২৬ ডিসেম্বর পান্ডিয়া ভীম রাও আম্বেদকরকে নিয়ে যে টুইট করেছিলেন, তাতে আম্বেদকর এবং তার সম্প্রদায়ের মানুষদের অপমান করা হয়েছে।

কিন্তু কী অপমানজনক মন্তব্য ছিল পান্ডিয়ার সেই টুইটে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের উদীয়মান এই অলরাউন্ডার লিখেছিলেন, ‘আম্বেদকর কে? যিনি এক বিতর্কিত আইন ও সংবিধান ড্রাফ্ট করেছিলেন, নাকি যিনি দেশের মধ্যে সংরক্ষণের মতো অসুখ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন?

পান্ডিয়ার ওই টুইটের জবাবে গত মঙ্গলবার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন মেঘওয়াল। তিনি জানিয়েছেন, আম্বেদকরের মতো একজন মানুষের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য খুবই অপমানজনক। তার এই মন্তব্যে দেশে হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সমাজের মধ্যে বিভেদও তৈরি হতে পারে। এই মন্তব্যের জন্য ক্রিকেটার পান্ডিয়ার কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

কিন্তু ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি রিপোর্ট করেছে, আসলে পান্ডিয়ার ওই মন্তব্যটি একটি প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে। যেটি আদৌ পান্ডিয়া চালান না বা তার নয়। পান্ডিয়ার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট এবং আলোচিত লেখাটি মোটেও এক নয়। জয়পুরের একজন পুলিশ কর্মকর্তা এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, তারা এখনো আদালতের অর্ডার হাতে পাননি। হাতে পেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:

এএ/ওয়াই

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়