• ঢাকা শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

ফুটবল মাঠে সহিংসতায় ৩৮ পুলিশ আহত!

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:৫২ | আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:১৭
ফুটবলকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা তিউনিসিয়ায় নতুন নয়। প্রায়ই সেখানে বিশেষ করে শীর্ষ ক্লাবগুলোর ম্যাচকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনা বেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি ফুটবল লিগের চরম প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ খেলায় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব এসপারেন্স অব তিউনিস এবং ইতয়লি স্পোর্টিভ শেলের মধ্যে একটি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। তখন কেউ নিহত না হলেও ৩৮জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: সেঞ্চুরিয়ানে কোহলির সেঞ্চুরিতে বিধ্বস্ত প্রোটিয়ারা
--------------------------------------------------------

এসময় দর্শকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে হাতে তৈরী বোমা, পাথর, চেয়ার, এমনকি ধাতব বস্তুও ছুঁড়ে মারে। ম্যাচে তিউনিস ৩-২ গোলে জয়লাভ করলেও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে অন্তত দুইবার খেলা বন্ধ করতে হয়েছে।
 
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, এসপারেন্সের সমর্থকরাই মূলত পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৯ জন পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

এদিকে এ ধরণের ঘটনাকে 'স্টেডিয়াম টেরোরিজম' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রী মাজদুলিন চেরনি।

উল্লেখ্য, খেলার মাঠে সহিংসতা নতুন কিছু নয়। সহিংসতার কারণে ক্রিকেট মাঠে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার রেকর্ড আছে। গণভোটের দাবিতে অনড় থাকায় সহিংসতার আশঙ্কায় বার্সেলোনা-লাস পালমাসের ম্যাচও দর্শকশূন্য মাঠে গড়িয়েছিল।

২০১২ সালে মিশরের পোর্ট সাইদ শহরে ফুটবল লিগের খেলার মাঠে সহিংসতায় ৭৪জন নিহত হয়। ব্যাপক হতাহতের ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নামে৷ পরে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে কায়রো৷ যদিও এর জন্য সামরিক প্রশাসনের দিকে অভিযোগের তীর নিক্ষেপ করা হয়।

আরও পড়ুন: 

এএ/এ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়