• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮ | ০৬ বৈশাখ ১৪২৫

শচীনকন্যাকে বিয়ের প্রস্তাবে শ্রীঘরে

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:৩৬ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৮:৪৩
ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ে সারা টেন্ডুলকারকে বিয়ে করার জন্য পাগল ‘প্রেমিক’। তাই মোবাইল ফোন নম্বর জোগাড় করে লাগাতার ফোন করে প্রেম নিবেদন এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয় সে। শেষ মেষ নাছোড়বান্দা পাগল প্রেমিকের স্থান হলো কারাগারে। 

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থেকে দেবকুমার মাইতি নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার শরীরজুড়ে শচীনের মেয়ের নামে ট্যাটু আঁকা। তবে পরিবারের দাবি ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন।

শনিবার রাতে মুম্বাই পুলিশের একটি দল হানা দেয় মহিষাদলে। আন্দুলিয়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে দেবকুমার নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের হেফাজতে আসার পর ওই যুবক একই দাবি জানায় যে, সে বিয়ে করতে চায় সারাকে। 

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গেলো মাসের শেষ দিকে সারাকে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয় দেবকুমার। সারাকে বিরক্ত করতে থাকে বারবার ফোন করে।

শুধু এখানেই শেষ নয়, নাছোড়বান্দা প্রেমিক ‘লিটল মাস্টার’ শচীনের অফিসেও ফোন করে। কয়েকবার মানা করা সত্ত্বেও সে বিরক্ত করে যাচ্ছিল সারাকে। বাধ্য হয়েই মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ নিজেই। 
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে মহিষাদল থেকে গ্রেফতার করা হয় পাগল প্রেমিককে।

আজ রোববার দেবকুমারকে হলদিয়া আদালতে পেশ করা হয়। তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে মুম্বাই নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশ। 

কী করে সে সারার নম্বর পেল, কী করেই বা পেল শচীনের অফিসের নম্বর, তা জানতে চাইছে পুলিশ। 

যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, ওই যুবক যে মানসিক ভারসাম্যহীন, তা মানতে নারাজ তারা। 

পুলিশের যুক্তি, কোনো মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক এত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারে না।

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, দেবকুমার মুম্বাইয়ে কাজ করতে গিয়েছিল। সেখান থেকেই কোনোভাবে নম্বর জোগাড় করে থাকতে পারে। এই ফোন নম্বরের উৎস জানত চায় পুলিশ। 

তবে সারাকে বিয়ে করতে চেয়ে গ্রেপ্তারকৃত যুবক যে পাগল, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে পুলিশের কাছে। ধরা পড়ার পরও তার মুখে একটাই উক্তি, সে সারাকে বিয়ে করতে চায়।

ওয়াই/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়