close
ঢাকা, রোববার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৩ পৌষ ১৪২৪

বাসেলে মরিনহোর দুঃস্বপ্নের রাত

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৪৬ | আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৫৪
গতকালের রাতটি দুঃস্বপ্নের মত কেটেছে স্পেশাল ওয়ান কোচ হোসে মরিনহোর জন্য। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপপর্বের ম্যাচে দ্বিতীয় লেগে বাসেলের বিরুদ্ধে শেষ মিনিটের গোলে পরাজয় নিয়ে ফিরতে হয়েছে রেড ডেভিলদের। যেখানে ম্যাচটি ড্র হলেই শেষ ষোল নিশ্চিত ছিলো মরিনহোর শিষ্যদের জন্য।

গতকাল বাসেলের মাঠ সুইজারল্যান্ডের জ্যাকব পার্কে আতিথেয়তা নিতে যায় হোসে মরিনহোর শিষ্যরা। দারুণ ফর্মে থেকে সুইজারল্যান্ডে খেলতে গিয়ে ম্যাচের ৮৯ মিনিটের মাথায় গোল খেয়ে বসে। বাসেলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন এম ল্যাঙ্গ। 

তবে এদিন অনন্য রেকর্ড গড়েন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। চ্যাম্পিয়নস লিগে সপ্তম ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করলেন এ সুইডিশ তারকা। বাসেলের বিপক্ষে ম্যানইউর হয়ে খেলতে নেমেছিল। আর রেড ডেভিলদের হয়ে মাঠে নেমেই একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ রেকর্ডের অংশীদার হন ইব্রাহিমোভিচ। অন্য যে কারও চেয়ে সবচেয়ে বেশি দলের হয়ে ইউরোপের শীর্ষ মঞ্চে খেললেন তিনি।

ইব্রা চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলেছেন আয়াক্স, জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, বার্সেলোনা, এসি মিলান, পিএসজি ও ম্যানইউর হয়ে। অবশ্য এত দলের সঙ্গে খেললেও জেতা হয়নি এই আকাঙ্ক্ষিত শিরোপা।

ম্যানইউ এদিন হারলো নিজেদের খামখেয়ালির কারণে। গোটা প্রথমার্ধ দুর্দান্ত খেলে বাসেলকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করেও গোল বের করতে পারেনি তারা। দুটি বল লাগে বারপোস্টে। এই দুঃখেই কিনা দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের খেলাটা একেবারেই হারিয়ে বসে তারা। বাসেলের মিচেল ল্যাংয়ের ৮৯ মিনিটের জয়সূচক গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রক্ষণভাগের ভুল কিন্তু প্রকট হয়েই সামনে চলে আসছে।

স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ হেরে ক্ষুব্ধ-হতাশ মরিনহো। হারের কারণ হিসেবে বলছেন গোল করার ক্ষেত্রে নিজ দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার ব্যাপারটিই, ‘আমরা প্রথমার্ধে একচেটিয়া খেলেছি। তখনই আমাদের কমপক্ষে ৫-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা গোলই করতে পারলাম না! প্রথমার্ধের খেলা দেখে মনে হয়েছিল, এই ম্যাচটা না জেতাই হবে অসম্ভব এক ব্যাপার। দ্বিতীয়ার্ধে দল ভালো খেলেনি। মনে হচ্ছিল, ম্যাচটা ০-০ হলেও তো হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলে আমরা হারলাম!’

এই হারে অবশ্য গ্রুপ ‘এ’র প্রথম স্থানটি হারায়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সিএসকেএ মস্কোর বিপক্ষে নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচটি হারলেও অসুবিধা নেই তাদের। তবে মস্কোর বিপক্ষে খেলায় ৬-০ গোল হারলে শেষ ষোলোর স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে তাদের। মরিনহোর হতাশার জায়গাটা এখানেই। মঞ্চ প্রস্তুত। কুশীলবেরাও তৈরি। কিন্তু মঞ্চটিই যেন ভেঙে পড়ে গেল। সিএসকেএর বিপক্ষে ম্যাচটা হয়তো হালকা মুডে খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে ওটা অযথা একটা উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকল পর্তুগিজ কোচের কাছে। 

এএ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়