close
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ | ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

হাথুরুসিংহের বদলে সুজন!

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১১ নভেম্বর ২০১৭, ০৮:৪০ | আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৩৪
জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে সফলতম কোচ তিনি। শ্রীলঙ্কান সাবেক এ ক্রিকেটারের অধীনে বাংলাদেশ দল ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলে। শুধু তাই নয় র‌্যাংকিংয়েও টাইগারদের উন্নতি করাতে তার ভূমিকা অনেক।

গত বছর অক্টোবরেও পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের চিন্তা মাথায় রেখে গতবছর জুনে তার সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিও করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর মতে, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের ডাকে সাড়া পেয়ে নিজ দেশের হাল ধরতেই ফিরে গেছেন তিনি। এখন প্রশ্ন উঠেছে কে হচ্ছেন হাথুরুর স্থলাভিষিক্ত?

গুঞ্জন উঠেছে তার পরিবর্তে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে টাইগারদের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। কয়েক দিন আগেই বিসিবির পরিচালক হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি।

বাংলাদেশের কোচ হওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত উল্লেখ করে সুজন জানিয়েছেন, আমার মনে হয় না খুব কঠিন এই জিনিসটা। এই লেভেলে কোচিংটা এতটা কঠিন না। মোটিভেশনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্ল্যানিং ভালো হতে হয়। দায়িত্বটা আমি পাব কিনা জানি না। যদি পাই তাহলে চেষ্টা করব ভালোভাবে তা পালন করতে।

অস্ট্রেলিয়ান কোচ জিমি সিডন্সের সময়ে ছিলেন মাশরাফিদের বোলিং কোচও। সবশেষ প্রিমিয়ার লিগে সুজন আবাহনীর কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার অধীনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গেলো আসরে ঢাকা ডাইনামাইটস চ্যাম্পিয়ন হয়।

তিনি বলেন, আমি মনে করি আমার প্রস্তুতি রয়েছে। নানা সময়ে নানা চ্যালেঞ্জ নিয়েছি আমি। কোচিং তো অনেক বছর ধরেই করছি। সহকারী কোচ হিসেবে জাতীয় দলের দায়িত্বেও এক সময় ছিলাম। কোচিংয়ের কাজটা খুব কাছ থেকে দেখেছি।

২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলা সুজন বাংলাদেশ ক্রিকেটে দলের ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বেশ ক’বার। সংস্থাটির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

গুঞ্জন রয়েছে যে, হাথুরুসিংহের পদত্যাগের পেছনে দলের অন্তর্কোন্দল রয়েছে। এ নিয়ে সুজন বলেন, আমি পাইনি তেমন কিছু। পরিবারে অনেক সময় এমন অনেক কিছুই হয়। সিনিয়র খেলোয়াড় যারা আছেন তারা অনেকদিন ধরে খেলছেন, তাদের কিছু মতামত হয়তো থাকে। অনেক সময় টিম বানাতে গিয়ে কারো সঙ্গে কারো দ্বিমত হতে পারে। কিন্তু সেটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা।

সুজন বাংলাদেশ দলের তৃতীয় টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন। ২০০১ সালে অভিষেকের পর ক্যারিয়ারে মোট ১২ টেস্টের মধ্যে ৯টিতেই দলকে নেতৃত্ব দেন।

১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক করেন সুজন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্যারিয়ারে ৭৭টি ম্যাচ খেলেন তিনি। এছাড়া ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচেও অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক ওই ম্যাচে ২৭ রান ও ৩ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন সুজন।

ওয়াই/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়