close
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

ওপেনিং জুটিতেই দ.আফ্রিকার দেড়শ

স্পোর্টস ডেস্ক
|  ১৫ অক্টোবর ২০১৭, ২০:০৩ | আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৭, ২০:৫৪
দক্ষিণ আফ্রিকাকে আরো একবার দুর্দান্ত সূচনা এনে দিলেন হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক। তাদের চোখজুড়ানো ব্যাটিংয়ে বিনা উইকেটে ২৫.৩ ওভারে ১৫৪ তুলে ফেলেছে প্রোটিয়ারা। দুজনই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। আমলা ৬৬ ও কক ৮৬ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

বাংলাদেশের দেয়া ২৭৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই রুবেলকে বাউন্ডারি মেরে শুরু করেন ডি কক। এরপর বাংলাদেশের তিন পেসারের কেউ প্রোটিয়া দুই সফলতম উদ্বোধনী জুটিকে বিপাকে ফেলতে পারেনি।

এর আগে রোববার কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। তার পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া লিটন দাসকে নিয়ে ম্যাচের গোড়াপত্তন করতে নামেন ইমরুল কায়েস। শুরুটা ভালোও করেন তারা। দলীয় ৪৩ রানে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে কাগিসো রাবাদার বলে স্লিপে ডু প্লেসিসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন (২১)।

এরপর ওয়ানডাউনে নামা সাকিব আল হাসানকে নিয়ে খেলা জমানোর চেষ্টা করেন ইমরুল কায়েস। তারা বেশ আশা জাগাচ্ছিল। তবে ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎই থেমে যান ইমরুল (৩১)। ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের বল গ্ল্যান্স করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডি কককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

ইমরুলের পর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে সেই যাত্রায় থেমে যান সাকিব (২৯)। ইমরান তাহিরের বলে স্লিপে হাশিম আমলার তালুবন্দি হয়ে ফেরেন তিনি।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ফিরলে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম। তারা এগুচ্ছিলেনও বেশ। দু’জনে বাংলাদেশকে বড়  স্কোরের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে ক্যারিয়ারে ২৭তম ফিফটি তুলে নেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার মতো সমর্থন দিতে দিতে থেমে যান মাহমুদুল্লাহ (২৬)। দলীয় ১৯৫ রানে প্রিটোরিয়াসের বলে মিলারের হাতে ক্যাচ ফেরেন মিস্টার কুল।

মাহমুদুল্লাহর বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন সাব্বির রহমান। তবে সেই ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ২৩৭ রানে রাবাদার বলে প্যাটারসেনর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাংলাদেশ হার্ডহিটার (১৯)।

একে একে টপ অর্ডারের সবাই বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন মুশফিক। তুলে নেন লড়াকু সেঞ্চুরি।১০৮ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেন তিনি। এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। মিস্টার ডিপেন্ডেবলের শতকে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা।

তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেননি মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। রান তোলার সময়ে নাসির হোসেন মাঠে নেমে চেষ্টা চালালেও তা খুব একটা কার্যকর হয়নি। তিনি ফেরেন ১১ রান করে।

পরে মুশফিককে সমর্থন যুগিয়ে রান তোলার চেষ্টা করেন অভিষিক্ত মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৭৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। একেবারে ইনিংসের শেষ বলে থামেন সাইফউদ্দিন (১৬)। অপরপ্রান্তে ১১০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন মুশফিক।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বোলিং আক্রমণের কর্ণধার রাবাদা নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। ২ উইকেট নেন প্রিটোরিয়াস।

ডিএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়