close
ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪

এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন মিসবাহ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৫ জুলাই ২০১৭, ১৬:৫০
টিম শ্রীলঙ্কার ওপর সন্ত্রাসী হামলার সূত্র ধরে ঘর থেকে নির্বাসনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। সেই ধাক্কা সামলে না উঠতেই স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত হয় দেশের ক্রিকেট। ঠিক এমন টালমাটাল অবস্থায় পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়কত্ব পান মিসবাহ-উল-হক।

এরপর যা করেন তা তো রীতিমতো রূপকথার গল্পকেও হার মানায়।শক্ত হাতে ধরেন দলের হাল। অন্যরা নানা কেলেঙ্কারিতে জড়ালেও নিজে থাকেন সৎ। পালন করেন বিপর্যস্ত শেয়ারবাজারে বেহালাবাদকের ভূমিকা। ধুঁকতে থাকা দলকে আসীন করেন র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে। অসাধারণ পারফরম ও নেতৃত্ব দিয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেন ক্রিকেট বিশ্বে। এর পুরস্কারও পাচ্ছেন তিনি। ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখায় সবশেষ পেলেন মেরিলবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) আজীবন সদস্যপদ।

সম্প্রতি লর্ডসে এমসিসি একাদশের মুখোমুখি হয় আফগানিস্তান। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে খেলা বন্ধ থাকার ফাঁকে মিসবাহর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থাটি। এ নিয়ে ২২তম পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মেরিলবোন ক্রিকেট ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ পেলেন ৪৩ বছরের ক্রিকেটার।

বিশ্বের সেরাদের সেরা পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদেরই আজীবন সদস্যপদ দেয় ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডস ক্রিকেট মাঠের মালিক এমসিসি।

এর আগে পাকিস্তানের হয়ে ইমরান খান, মুশতাক মোহাম্মদ, হানিফ মোহাম্মদ, জাভেদ মিয়াঁদাদ, জহির আব্বাস, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস ও সাকলায়েন মুশতাক এ সম্মাননা পান। সবশেষ ২০১৫ সালে   এ মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা পান রমিজ রাজা।

গেলো মে মাসে মিসবাহর নেতৃত্বে টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সিরিজ জেতে পাকিস্তান। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সে সিরিজ শেষে বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান হিসেবে তার এমন সাফল্য নিশ্চয়-ই প্রেরণা যোগাবে ভবিষ্যৎ পাকিস্তান ক্রিকেটারদের।

সন্ত্রাস কবলিত দেশটিকে রেকর্ড ৫৬ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিসবাহ। এর মধ্যে ২৬টিতেই জিতেছে পাকিস্তান।

এ ডানহাতি ব্যাটার দীর্ঘ ১৭ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ৭৫ ম্যাচে ৪৬.৬২ গড়ে করেছেন ৫ হাজার ২শ’ ২২ রান। রয়েছে ১০টি সেঞ্চুরি ও ৩৯টি হাফসেঞ্চুরি।

২০০৯ সালে লাহোরে টিম শ্রীলঙ্কার ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। আর ২০১০ সালে ইংল্যান্ডে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়ান সালমান বাট, মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফ।

ডিএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়