ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মরণোত্তর দেহদান করলেন তসলিমা নাসরিন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৮, ১১:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মরণোত্তর দেহদান করলেন বিতর্কিত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন

সোমবার রাতে নিজের নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে একথা জানিয়েছেন তিন।

তসলিমা নাসরিন জানান, মরণোত্তর দেহ দান করেছিলাম কলকাতা মেডিকেল কলেজে ২০০৫ সালে। কিন্তু কলকাতার দরজা তো আমার জন্য বন্ধ। অগত্যা দিল্লির এইইএমএস হাসপাতালে মরণোত্তর দেহদানের ব্যবস্থা করলাম।

এর আগে তিনি এক ফেসবুক পোস্টে বলেছিলেন, মুসলিম ধর্মে শুধু ধনিদের গরিবদেরকে খাবার, অর্থ ও জামাকাপড় দানের বিষয়টি আমার ভালো লাগে।

কিন্তু তারা(ধনি মুসলিমরা) এটা করে শুধু জান্নাতে যাওয়ার জন্য। দারিদ্র্য দূর করার জন্য তারা এটা করে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ময়মনসিংহে ১৯৬২ সালের ২৫ আগস্ট জন্ম নেয়া তসলিমা নাসরিন বিংশ শতকের আশির দশকে একজন উদীয়মান কবি হিসেবে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন।

এই শতকের শেষের দিকে নারীবাদী ও ধর্মীয় সমালোচনামূলক রচনার কারণে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভের পাশাপাশি বিতর্কিত হন তিনি।

তিনি তার রচনা ও ভাষণের মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, মুক্তচিন্তা, ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদ ও মানবাধিকারের প্রচার করায় ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীদের রোষানলে পড়েন।

হত্যার হুমকি পাওয়ায় ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করতে বাধ্য হন। তিনি কিছুকাল যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন।

বর্তমানে ভারত সরকার কর্তৃক অজ্ঞাতবাসে অবস্থানের সুযোগ পেয়ে সেখানে বসবাস করছেন তিনি।

কে/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সামনের মাস থেকে ফেসবুক-ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার: মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, নভেম্বর মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগল নিয়ন্ত্রণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা আর পিছিয়ে নেই, অনেক দূর এগিয়েছি। ফেসবুক একসময় আমাদের কথায় কোনও কর্ণপাত না করলেও, এখন শুনছে। আমাদের দেশীয় আইনকানুন অনুযায়ীই তারা চলবে। এই মাসেই সব ধরনের ডিভাইস আসবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার, গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধ করতে সক্ষম হব।’ মন্ত্রী মোস্তফা জাব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়েছি। কয়েক লাখ ব্যবহারকারী যখন ছিল, তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কথা না শুনলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া হবে- এমন হুমকির প্রেক্ষিতে তারা অফিসে এসে বসে থাকে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ীই চলবে বলেও আশ্বস্ত করেছে। আগামী মাস থেকে ফেসবুক, ইউটিউব ও গুগলে মানহানিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।’ মোস্তাফা জাব্বার আর বলেন, আগে যখন কয়েক লাখ ব্যবহারকারী ছিল, তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কথা না শুনলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া হবে এমন হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে তারা অফিসে এসে বসে থাকে। আমাদের দেশের আইন অনুযায়ীই চলবে বলেও আশ্বস্ত করেছে। ডিজিটাল আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আরও কঠিন কিন্তু আমাদের দেশে যারা এ আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আইনটি দুর্বল হয়ে গেছে। আগামী ২-৩ বছর পর আবার হয়তো দাবি উঠবে আইনটি আরও কঠিন করতে হবে। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এ আলোচনার সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে ও শহীদ সন্তান তৌহীদ রেজা নূরের সঞ্চালনায় এতে আলোচনায় অংশ নেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়্যারমান মোহাম্মদ আরাফাত, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক শহীদ সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী, বাংলাদেশ অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরামের (বোয়াফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় এবং ব্লগার ও লেখক মারুফ রসুল। এসএস
সামনের মাস থেকে ফেসবুক-ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার: মন্ত্রী
ফেসবুকই হোক ফেসবুক আসক্তির প্রতিকার
লক্ষ্যের মধ্যে উপলক্ষ রাখতে নেই, কথাটি যেমন সত্য, তেমনই লক্ষ্যকে আরাধ্যে পরিণত করতে পারাও জরুরি। অথচ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ফেসবুক আমাদের জীবনে সেই যে আরাধ্য হয়ে উঠলো, যার ব্যবহারকে কিছুতেই রুটিনের মধ্যে আনা যাচ্ছে না। ফেসবুক আমাদের যোগাযোগকে দ্রুততর ও সহজ করণের মাধ্যমে সময় বাঁচানোর অবতার হয়ে মুঠোফোনে আসীন হলো; আর সেই অবতারের হাতেই আমাদের মূল্যবান সময়ের ধারাবাহিক বিনাশ ঘটে চলেছে। বেশ মনোযোগ দিয়ে পাঠ্যবই পড়ছিলাম, একটা ইংরেজি শব্দের অর্থ খুঁজতে মুঠোফোন হাতে নিয়ে কয়েকটা নোটিফিকেশনে চোখ পড়লো, সেগুলো দেখতে যেইনা ফেসবুকে ঢুকেছি, পরক্ষণে দেখি দেড় ঘণ্টা শেষ। তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে পড়ি ফেসবুক থেকে। ফোন রেখে দেখি কোন পর্যন্ত পড়েছিলাম তাও মনে নেই। অতঃপর টের পেলাম যার জন্য মুঠোফোন হাতে নিয়েছি সেই ইংরেজি শব্দটির অর্থ তখনও আমার জানা হয়নি। প্রযুক্তির এই স্বর্ণযুগে বইয়ের বাইরেও অনলাইনের নানান শিক্ষণীয় শাখায় পরিভ্রমণের সুযোগ আছে। কোনও জরুরি একটা তথ্যের জন্য অনলাইনে ঢুকে ক্রমাগত চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটনের পর ইউটিউবও বাদ দেইনি। সেখানে তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি চলছে বাইক রিভিউ, নতুন মুভির ট্রেলার, পছন্দের মিউজিক ভিডিও দেখা। একটা স্ট্যাটাসও দিয়ে ফেললাম, মোবাইল ফোনের কোনায় চোখ মেলে দেখি আরও প্রায় এক ঘণ্টা শেষ। ------------------------------------------------------- আরও পড়ুন : ‘তুমি সরকারের দুই টাকার চাকর, আমাকে চেনো’? (ভিডিও) ------------------------------------------------------- এবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে একটানা পড়ার পর ছোট্ট একটা চা বিরতি নিচ্ছি। পাশাপাশি চলছে প্রদেয় স্ট্যাটাসটির লাইক, কমেন্ট ও রিয়েক্ট দেখার পালা। আমার অপেক্ষায় চাও জুড়িয়েছে, বিস্কুটের গন্ধে পিঁপড়েও জড়ো হয়েছে, আমার ফেসবুক অভিযান আর শেষ হলো না। যন্ত্রণায় ওয়াইফাই বন্ধ করে পুনরায় যেই পড়তে বসেছি, পরীক্ষার পূর্বরাত্রি তখন ভোরের আলোয় মিলিয়ে যেতে শুরু করেছে। পরীক্ষার হলে আশপাশের যার দিকেই তাকাই দেখি সে'ই লেখায় ব্যস্ত। প্রায় সাদা খাতাটা জমা দিয়ে হলে ফেরার পথে দারুণ মোটিভেটেড হতে থাকি। আগামী পরীক্ষায় আর কোনও ছাড় নয়, আদাজল খেয়ে পড়ব। কিন্তু কোথায় আদা, কোথায় জল; আমি তো এক পেয়ালা ফেসবুকেই মাতাল। এভাবে আর কতদিন চলে? স্নাতক (সম্মান) শেষে স্নাতকোত্তরের গণ্ডিও পেরিয়ে যাচ্ছি। এবার তো পাকাপোক্ত একটা আয়ের উৎস খোঁজা দরকার। এই সংকট লগ্নে ফেসবুক অবতারের সাধনায় স্তফা না দিলে আর চলছে না। ওদিকে সামাজিক যোগাযোগের এই অমৃত সুধার তৃষ্ণাও আমায় দূরে থাকতে দেয় না; হুট-হাট চুমুক দিয়ে ফেলি। যখন ছাড়তেই পারছি না, তখন এর সাথেই ফন্দি-ফিকির করে থাকতে হবে। আমাদের দেশে যখন জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রচলিত হয়নি, তখন একটা নির্দিষ্ট সময় পর স্বামী-স্ত্রী আলাদা ঘুমাতো। আমিও একটা ফেইক আইডি খুলে নিয়েছি। যেখানে প্রয়োজনীয় এবং শিক্ষণীয় গ্রুপ ও পেজ অনুসরণ করছি। বায়োতে অবশ্য লিখে রেখেছি, ‘ইট'স এ ফেক আইডি ফর এডুকেশনাল পারপাসেস‘। এতে করে নতুন বন্ধুত্ব তৈরি ও বিভিন্ন গ্রুপে সংযুক্ত হয়ে যাওয়ারও সুযোগ থাকছে না। ফেক আইডি চালানো একটা অপরাধ কিন্তু আমি প্রযুক্তির কাছে ভীষণ অসহায়। সত্যি বলতে কি, দিন শেষে কর্মই আমাদের পরিচয় ও প্রাপ্তি নির্ধারণ করে। যৌবনে পরিশ্রম করলে বার্ধক্যে অবসরকালীন প্রশান্তি তো পাওয়াই যায় তাছাড়া নানান কর্মকাণ্ডে নিয়জিত হয়ে বৃদ্ধ বয়সটাকেও কাজে লাগানোর সুযোগ থাকে। ফেসবুকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সুবিধায় ছোটখাটো কোনও সাফল্যের ঘটনা শেয়ার করে আমরা বাহবা পাই ঠিকই তবে তা সাময়িক। অন্যান্য বন্ধুদের ভিড়ে এটা হারিয়ে যেতেও সময় নেয় না। আজকাল আমরা কেন যেন অন্যকে হাসানোর দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছি। হাস্যরসের জোয়ারে ফেসবুক ওয়াল হাহা'র ভেলায় ভাসছে। এছাড়া খেয়াল রাখা দরকার, একজন ফেসবুক বন্ধু তার সুবিধামতোই আপনাকে বার্তা পাঠাবে বা মন্তব্য করবে। এর প্রেক্ষিতে আপনার হুড়মুড়িয়ে পড়া নিষ্প্রয়োজন। আপনার উচিত হবে নিজের সুবিধামতো তাকে প্রত্যুত্তর বা প্রতিক্রিয়া জানানো। যদি অতি জরুরি কিছু হয়ে থাকে, তবে সে আপনার সাথে মুঠোফোনেই যোগাযোগ করে নেবে। যোগাযোগের এই আশীর্বাদকে অভিশাপে রূপান্তর না করে বরং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এর সদ্ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়া জরুরি। বন্ধু তালিকায় নজর দিলেই এমন অনেক উদাহরণ পাওয়া যাবে। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আলোকচিত্র পেশা একদিকে যেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, একইসাথে নতুন ক্লায়েন্টও সহজে পাওয়া যায়। কয়েকজন উদ্যোক্তা মিলে অফিস ছাড়াই ফেসবুকে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে। ‘ফেসবুক আমাকে নয়, আমি ফেসবুককে ব্যবহার করবো’ আর ‘কারও ফলোয়ার থেকে যাব নাকি তাকেই আমার ফলোয়ার বানাবো’ এটাই এখন ভাবার বিষয়।   লেখক: শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরও পড়ুন :  সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না: জয় ফেসবুক একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী​ সি/
ফেসবুকই হোক ফেসবুক আসক্তির প্রতিকার
‘তুমি সরকারের দুই টাকার চাকর, আমাকে চেনো’? (ভিডিও)
রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বর এলাকার স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে ট্র্যাফিক পুলিশের এক সার্জেন্টের প্রতি ‘সরকারদলীয় এমপির মেয়ে’ দাবি করা এক নারীর আগ্রাসী আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে ওই নারীকে সার্জেন্ট ঝোটন সিকদারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে দেখা গেছে। এমনকি ওই নারী তাকে ‘দুই টাকার চাকর’ বলতেও ছাড়েননি। মঙ্গলবার দুপুরে ভিডিওটি শেয়ার করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। সেখানে তিনি ওই নারীকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন- ‘এই ভদ্র মহিলা মিরপুর ১৩ নম্বর স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে তার প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো~গ~২৬~৯৩৪৭) ডাবল লেনে পার্কিং করে রেখেছেন। তার গাড়ির জন্য পেছনের গাড়িগুলো আসতে পারছে না। প্রচণ্ড জ্যাম লেগে আছে। তাকে অনেকবার সবিনয় অনুরোধ করলাম, আপু আপনার গাড়ির ড্রাইভারকে ডেকে দ্রুত গাড়িটি সরিয়ে পেছনের গাড়িগুলো আসার সুযোগ দিন এবং জ্যামমুক্ত করেন। কিন্তু না, তিনি আমার কোনো কথা তো শুনলেনই না বরং আমাকে খারাপ ভাষায় গালাগালি করেন এবং সঙ্গে বলেন তুমি সরকারের দুই টাকার চাকর, আমাকে চেনো তুমি? কার গাড়ি জানো এটা? আরও অনেক খারাপ কথা!’ ------------------------------------------------------- আরও পড়ুন : সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না: জয় ------------------------------------------------------- আইন লঙ্ঘন করার ভিডিও নেয়ার সময় সার্জেন্ট ঝোটন সিকদারকে ওই নারী বলেন- ‘এই কার গাড়ির ছবি তোলো? এটা সরকারি দলের লোকের গাড়ি। কার গাড়ির ছবি তোলো? বেশি কইরো না! তোমার মতো সার্জেন্ট কয় টাকা বেতনে চাকরি করে? কয় টাকা বেতনে চাকরি করে তোমার মতো সার্জেন্ট? আমরা প্রধানমন্ত্রীর লোক, ঠিক আছে? যদি সাহস থাকে আমার বাবা জাতীয় কমিটির সদস্য, আমার বাবা এমপি, ঠিক আছে? তোমার মতো হাজারটা সার্জেন্ট...ঠিক আছে? কয়টাকা বেতনে চাকরি করো?...’ এভাবে বলতে শোনা যায়। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কথা বলা ওই নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এদিকে পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ফেসবুকে অনেকেই ওই নারীর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে তার কঠোর সমালোচনা করে তার শাস্তি চেয়েছেন। অপরদিকে সার্জেন্ট ঝোটন সিকদারের এই সাহসিকতার জন্যে অনেকে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ফেসবুকে আবু নাসের সিকদার নামে একজন লিখেছেন, সাব্বাস ট্র্যাফিক সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। সাহসিকতাপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।   আরও পড়ুন :  স্বৈরাচারের নমুনা দিলেন সোহেল তাজ ফেসবুক একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী পি
‘তুমি সরকারের দুই টাকার চাকর, আমাকে চেনো’? (ভিডিও)
আরটিভিতে চাকরির সুযোগ
বাংলাদেশের স্বনামধন্য টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিতে জনবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি তিনটি পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে আবেদন করতে পারেন আপনিও। টেলিভিশনের ব্রডকাস্টিং ও নেটওয়ার্কিং বিভাগে আইটি ম্যানেজার পদে জনবল নেয়া হবে একজন। প্রার্থীকে যেকোনও স্বীকৃত সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। যেকোনও মিডিয়া কিংবা টেলিভিশন চ্যানেলের ব্রডকাস্টিং এবং নেটওয়ার্কিং সিস্টেমে কাজ করার পাঁচ থেকে সাত বছরে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগে এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে লোক নেয়া হবে একজন। প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে মাস্টার্স কিংবা এমবিএ ডিগ্রিধারী হতে হবে। মিডিয়া (মার্কেটিং) সম্পর্কে বিশেষ কোনও কোর্স করা থাকলে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এ পদে চাকরির জন্য প্রার্থীদের সেলস, মার্কেটিং, মিডিয়া কিংবা টিভি চ্যানেলের সংশ্লিষ্ট পদে কাজ করার তিন থেকে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ------------------------------------------------------- আরও পড়ুন : আরটিভি অনলাইন-এ জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ ------------------------------------------------------- অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে জুনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে চাকরির সুযোগ থাকছে। এ পদে চাকরির জন্য প্রার্থীকে যেকোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী হলেই হবে। সদ্য পাস করা স্নাতক ডিগ্রিধারীদের আবেদনে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ পদে চাকরির জন্য কোনও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আগ্রহী প্রার্থীরা নিজেদের ছবি ও কভার লেটারসহ সিভি ইমেইল করবেন [email protected] এই ইমেইল ঠিকানায়। মনে রাখবেন, কভার লেটার এবং সিভি অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে পাঠাতে হবে। ইমেইলের সাবজেক্ট অপশনে যে পদে চাকরি করতে চান সেটা উল্লেখ করতে হবে। চাকরিতে আবেদনের শেষ তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। আরও পড়ুন: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে ১২ পদে জনবল নিয়োগ ব্যানবেইসে ১২ পদে চাকরির সুযোগ কেএইচ/পি
আরটিভিতে চাকরির সুযোগ
সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না: জয়
আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, না হলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই। গতকাল মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটিই বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন শেষ। এই আন্দোলনের শুরুর দিকেই আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার সব দাবি মেনে নেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ নির্দেশনা দেন ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন ঘরে ফেরার। কারণ তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, সরকার সব দাবি মেনে নিলেও বিএনপিসহ ১/১১’র মিলিটারি ক্যু’র কুশীলব, কিছু চিহ্নিত সুশীল সমাজের এই আন্দোলনের দিকে কুনজর পরে। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে উস্কে দিতে থাকেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে। ক্রমশই আন্দোলনটি সহিংসতার দিকে যেতে থাকে। প্রাইভেট গাড়ি ভাঙা হয়, পোড়ানো হয় বাস এমনকি মোটরসাইকেলও জ্বালানো হয়। পর্দার পেছনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাতে থাকে বিরোধী দলগুলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়া। পুলিশ এর উপর আঘাত আসে, আক্রমণ করা হয় বর্ডার গার্ডদেরও। আমরা সবাই অভিনেত্রী নওশাবার ভিডিওটি দেখেছি, যেটি উনি নিজেই ভুয়া হিসেবে মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছেন। শহিদুল আলম শুধু এমন গুজবই ছড়াননি, ছড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে। ৭১ এর রাজাকারদের মতোই এখনও নিজ স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়ার মতন অনেক মানুষই আছে। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, না হলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই। আমাদের মনে আছে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা, যখন ১০০ এর অধিক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান ও হাজার হাজার মানুষ আহত হন। জনগণের স্বার্থেই অরাজকতা ও সহিংসতার জবাব দিতে হয়। আরও পড়ুন :  স্বৈরাচারের নমুনা দিলেন সোহেল তাজ ফেসবুক একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী কেএইচ/পি
সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না: জয়
আরও পড়ুন
মুসলিমদের খাবার-অর্থ-জামাকাপড় দান ভালো লাগে তসলিমার
ধর্ষকরা মানুষ, তাদেরও বাঁচার অধিকার আছে: তসলিমা
আসিফা ধর্ষণ ইস্যুতে সোচ্চার হলেন তসলিমা নাসরিন
৫ বছরের কারাদণ্ড বাড়াবাড়ি : তসলিমা নাসরিন