প্রশ্নফাঁস চক্রের বেশিরভাগই বিশেষ সংগঠনের সদস্য: ছাত্র ইউনিয়ন

প্রকাশ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২০:১২ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২০:২৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

২০১৫ ও ২০১৬ সালে টাকার বিনিময়ে একটি চক্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশ্ন ফাঁস করেছে। এই চক্রের বেশিরভাগ সদস্য বিশেষ একটি ছাত্র সংগঠনের সদস্য। এমন দাবি করেছে বামপন্থী সংগঠন ছাত্র ইউনিয়ন।

বুধবার বেলা একটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই অভিযোগ করে সংগঠনটি। 

ওই সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার আগেই টাস্কফোর্স গঠন, বিগত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি জালিয়াত চক্রের তথ্য অনুসন্ধান ও ভর্তিকৃতদের ভর্তি বাতিল এবং বিচারের দাবি জানায়। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাস। 

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে আশা করবো, তারা প্রশ্নফাঁস রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। যারা এই চক্রের সাথে জড়িত তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারে আওতায় আনবেন। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই অতীতের মত যদি এবারো ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয় তাহলে ছাত্র ইউনিয়ন তার সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামবে। 

তিনি বলেন, প্রশাসনের এমনটি ভাবার অবকাশ নেই যে অতীতের মত পার পেয়ে যাবেন। এই ধরণের চিন্তা হবে তাদের জন্য অনেক বড় ভুল। 

তিনি বলেন, বিভিন্ন মিডিয়ার অনুসন্ধানে প্রায় ৩০ জনের নাম বেরিয়ে এসেছে যারা জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বেশিরভাগই ধরাছোয়ার বাহিরে বলেও অভিযোগ করেন ছাত্র ইউনিয়নের এ নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিব মোহাম্মাদ আশিকসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। 

আরও পড়ুন  :

এসজে