• ঢাকা বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৯ আগস্ট ২০১৮, ১২:২০ | আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৫০
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রেই যেন পর্যায়ক্রমে বিশেষজ্ঞ সৃষ্টি হয় সেই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ চলছে।

আজ বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও  ট্রেনিং ইনস্টিটিউটসহ ৮ জেলার ২০ উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টার কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন-চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি। হাসপাতালের পাশাপাশি আরও ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ নার্স তৈরির কাজ চলছে। প্রতিটি জেলা-উপজেলায় আরও মানসম্মত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন- আমরা জেলা পর্যায়ে মেডিকেল কলেজ করে দিয়েছি। দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে দিয়েছিলাম। দুটো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে করা হয়েছে। আরও একটা করার পরিকল্পনা আছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে আমাদের লক্ষ্য, প্রতিটি ডিভিশনাল হেডকোয়ার্টারে আমরা একটা করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেবো।’

শেখ হাসিনা বলেন- এভাবে চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি শুধু হাসপাতাল করে দেয়া নয়, বিশেষজ্ঞ তৈরি করা, তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন- ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। তিনি দায়িত্ব নেয়ার ৯ মাসের মাথায় একটি সংবিধান জাতিকে উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বেশিদিন সময় পেলেন না। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর দেখলাম প্রতিটি ক্ষেত্রেই বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়েছে, যা ভাবলে সত্যিই অবাক লাগে। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন- ‘৮১ সালে আওয়ামী লীগ আমাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করে। আমি যখন দেশে আসি তখন বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ছিলেন পুরস্কৃত। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই বিচার বন্ধ করে যুদ্ধাপরাধীদের ভোটের অধিকার দেয়া হয়েছে। তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এই অবস্থার মধ্যে আমি দেশে আসি।’

শেখ হাসিনা বলেন- ‘ভোট দেয়া না দেয়া জনগণের অধিকার। কিন্তু জনগণের সেবা করেই যাব। জনগণকে উন্নত জীবন দেবো, খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে এটা আমাদের অঙ্গীকার। আর এই অঙ্গীকার আমাদের পূরণ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন- ‘ক্ষমতা আমার কাছে কোনও ভোগের বস্তু না, ক্ষমতা হচ্ছে দায়িত্ব পালন। কাজেই সেই দায়িত্বটাই পালন করতে চাই। আমি সব সময় মনে রাখি, আমার বাবা দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছে, তাই জনগণের সেবা করাটা আমার প্রথম কর্তব্য।’

আরও পড়ুন :

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়